ইসরায়েল নয়, আমেরিকা ফার্স্ট হলে চুক্তি সম্ভব : ইরান
ইরানের উপ-রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ রেজা আরেফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতে আলোচনায় আসে, তাহলে সমঝোতার পথ খুলতে পারে। তবে ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ অবস্থান নিলে আলোচনা ভেঙে পড়বে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরেফ বলেন, ইসলামাবাদে যদি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়, তাহলে তা উভয়পক্ষের পাশাপাশি বিশ্ববাসীর জন্যও উপকারী হতে পারে। কিন্তু ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করা হলে কোনো চুক্তি সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ইরান আগের চেয়ে আরও জোরালোভাবে নিজেদের প্রতিরক্ষা জোরদার করবে, যার প্রভাব বৈশ্বিক পর্যায়েও পড়বে। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হন। ইরানের দাবি, ওই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও নিহত হয়েছেন। পাল্টা জবাবে ইরান প্রায় প্রতিদিনই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যেখানে ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হচ্ছে। ৮ এপ্রিল ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল (এসএনএসসি) জানায়, পাকিস্তানে
ইরানের উপ-রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ রেজা আরেফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতে আলোচনায় আসে, তাহলে সমঝোতার পথ খুলতে পারে। তবে ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ অবস্থান নিলে আলোচনা ভেঙে পড়বে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরেফ বলেন, ইসলামাবাদে যদি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়, তাহলে তা উভয়পক্ষের পাশাপাশি বিশ্ববাসীর জন্যও উপকারী হতে পারে। কিন্তু ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করা হলে কোনো চুক্তি সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ইরান আগের চেয়ে আরও জোরালোভাবে নিজেদের প্রতিরক্ষা জোরদার করবে, যার প্রভাব বৈশ্বিক পর্যায়েও পড়বে।
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হন। ইরানের দাবি, ওই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও নিহত হয়েছেন।
পাল্টা জবাবে ইরান প্রায় প্রতিদিনই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যেখানে ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হচ্ছে।
৮ এপ্রিল ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল (এসএনএসসি) জানায়, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। এতে ইরানের ১০ দফা প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র মেনে নিয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় উচ্চপর্যায়ের একটি ইরানি প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নিতে ইসলামাবাদে উপস্থিত রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তার সঙ্গে আছেন আলোচক স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার।
What's Your Reaction?