ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকীতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করলো ইরান

ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকী উপলক্ষে তেহরানে একাধিক ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। তেহরানের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পাশাপাশি আয়োজিত প্রদর্শনীতে সৌমার, নূর ও কাদির নামের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও হাজ কাসেম, ইমাদ ও জোলফাঘার নামের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাখা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রদর্শিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর কয়েকটি আগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘ট্রু প্রমিস-১, ২ ও ৩’ অভিযানে এবং কাতারের আল উদেইদ মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদোলরহিম মুসাভিও এদিনের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে আয়োজিত এসব সমাবেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। ওই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ছয় দশকের পাহলভি রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তার নেতৃত্বেই ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পাহলভি শাসনের পতন ঘটে। ইমাম খোমেনি বহু বছর ইরাক ও ফ্রান্সে নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর দেশে ফিরে ঐতি

ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকীতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করলো ইরান

ইসলামি বিপ্লবের বার্ষিকী উপলক্ষে তেহরানে একাধিক ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।

তেহরানের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পাশাপাশি আয়োজিত প্রদর্শনীতে সৌমার, নূর ও কাদির নামের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও হাজ কাসেম, ইমাদ ও জোলফাঘার নামের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাখা হয়।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রদর্শিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর কয়েকটি আগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘ট্রু প্রমিস-১, ২ ও ৩’ অভিযানে এবং কাতারের আল উদেইদ মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদোলরহিম মুসাভিও এদিনের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে আয়োজিত এসব সমাবেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। ওই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ছয় দশকের পাহলভি রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তার নেতৃত্বেই ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পাহলভি শাসনের পতন ঘটে।

ইমাম খোমেনি বহু বছর ইরাক ও ফ্রান্সে নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর দেশে ফিরে ঐতিহাসিক এই বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন।

সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow