ইসিকে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছ ভোট গণনা নিশ্চিত করতে হবে : রবিউল

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে প্রত্যাশা তুলে ধরে ঢাকা-১০ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি বলেছেন, ইসিকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে এবং জনগণের রায় যেন স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় গণনা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা-১০ আসনে নির্বাচনী প্রচারণাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। রবিউল আলম বলেন, জনগণের ভোটের রায় যথাযথভাবে প্রতিফলিত না হলে গণতন্ত্র প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তাই বিজয়ী প্রার্থী যেন বৈধভাবে নির্বাচিত হয়, সেই পরিবেশ নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সকল প্রার্থী ফলাফল মেনে নিতে পারে। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিদ্যমান রয়েছে। তবে প্রকৃত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয় ভোটের মাধ্যমেই। সব দল ও প্রার্থী আচরণবিধি মেনে অবাধে প্রচারণা চালাতে পারছেন। অবশ্য কোনো একটি দলের প্রতি মানুষের সমর্থন বেশি হলে সেটাই স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক বাস্তবতা। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ নিয়ে শেখ রবি বলেন, সেবা খাতগুলোর অকার্যকারিতার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ওয়াসা, ডেসা, তিতাস ও সিটি করপো

ইসিকে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছ ভোট গণনা নিশ্চিত করতে হবে : রবিউল

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে প্রত্যাশা তুলে ধরে ঢাকা-১০ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি বলেছেন, ইসিকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে এবং জনগণের রায় যেন স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় গণনা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা-১০ আসনে নির্বাচনী প্রচারণাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

রবিউল আলম বলেন, জনগণের ভোটের রায় যথাযথভাবে প্রতিফলিত না হলে গণতন্ত্র প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তাই বিজয়ী প্রার্থী যেন বৈধভাবে নির্বাচিত হয়, সেই পরিবেশ নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সকল প্রার্থী ফলাফল মেনে নিতে পারে।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিদ্যমান রয়েছে। তবে প্রকৃত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয় ভোটের মাধ্যমেই। সব দল ও প্রার্থী আচরণবিধি মেনে অবাধে প্রচারণা চালাতে পারছেন। অবশ্য কোনো একটি দলের প্রতি মানুষের সমর্থন বেশি হলে সেটাই স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক বাস্তবতা।

এলাকাবাসীর দুর্ভোগ নিয়ে শেখ রবি বলেন, সেবা খাতগুলোর অকার্যকারিতার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ওয়াসা, ডেসা, তিতাস ও সিটি করপোরেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নানা ঘাটতি রয়েছে। এসব খাত সঠিকভাবে কার্যকর না হলে জনদুর্ভোগ কমানো সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ঢাকায় বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিচ্ছন্নতা সংকট, পানি সমস্যা এবং গ্যাসের ভয়াবহ ঘাটতি। পানির মান ও পরিমাণ দুটিই মানুষের ভোগান্তির বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি মাদকের ভয়াবহ প্রভাব সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ ও নিষিদ্ধ করার জন্য বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু নিয়ন্ত্রণ এসেছে। তবে মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক হারে কাজ করতে হবে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow