ইসির নিষেধাজ্ঞার পরও নন্দীগ্রাম পৌরসভার পক্ষে চালানো হচ্ছে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা সত্ত্বেও বগুড়ার নন্দীগ্রামে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার দেখা যাচ্ছে। ২৯ জানুয়ারি ইসি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে লিখিত নির্দেশ দেয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোট বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে পারলেও কোনোভাবে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনার পর অনেক সরকারি অফিসের সামনে থেকে ব্যানার সরানো হলেও নন্দীগ্রাম পৌরসভার প্রচারে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় ও পৌর ভবনে ব্যানার টাঙানো দেখা যাচ্ছে। নন্দীগ্রাম পৌর প্রশাসক ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসে এ প্রচারণার ব্যানার দেখে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নন্দীগ্রাম পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মাহমুদ বলেন, আমি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আছি। ব্যানারগুলো খোলার জন্য ফোন করে বলে দিব। নন্দীগ্রাম পৌর প্রশাসক, সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আরার সাথে যোগাযোগের জন্য তাঁর মুঠোফনে বারবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। এ বিষয়ে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমন বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোট বিষয়ে
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা সত্ত্বেও বগুড়ার নন্দীগ্রামে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার দেখা যাচ্ছে। ২৯ জানুয়ারি ইসি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে লিখিত নির্দেশ দেয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোট বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে পারলেও কোনোভাবে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনার পর অনেক সরকারি অফিসের সামনে থেকে ব্যানার সরানো হলেও নন্দীগ্রাম পৌরসভার প্রচারে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় ও পৌর ভবনে ব্যানার টাঙানো দেখা যাচ্ছে। নন্দীগ্রাম পৌর প্রশাসক ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসে এ প্রচারণার ব্যানার দেখে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
নন্দীগ্রাম পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মাহমুদ বলেন, আমি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আছি। ব্যানারগুলো খোলার জন্য ফোন করে বলে দিব।
নন্দীগ্রাম পৌর প্রশাসক, সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আরার সাথে যোগাযোগের জন্য তাঁর মুঠোফনে বারবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
এ বিষয়ে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমন বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোট বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে পারবে। ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। নন্দীগ্রামের প্রাচারণার বিষয়টি জানা নেই। দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?