ইসি সচিবালয়ের সামনে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সামনে এক আপিল আবেদনকারীর ওপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশন (সিইসি) বরাবর টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসনের সাংসদ সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম এই আবেদন করেন। আইনজীবী নিজে বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। আবেদনে বলা হয়, গণমাধ্যমের সুবাদে দেশবাসীর সঙ্গে আমি ও আমার পরিবার-পরিজন, আত্নীয়-স্বজন অবগত হয়েছি যে, ১৬ জানুয়ারি আপনার নির্বাচন সচিবালয় সম্মুখে এক আবেদনকারীকে কতিপয় সন্ত্রাসী প্রকাশ্য দিবালোকে সবার সামনে আদিম যুগের মতো বর্বর কায়দায় কিল-ঘুষি-লাথি-থাপ্পড় মারেন। বিষয়টি নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন ও ভীত। কারণ আপনাদের সম্মুখে যদি একজন আবেদনকারীকে এভাবে আদিম যুগের মতো বর্বর কায়দায় পেটানো হয় তাহলে আমরা যারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি, তাদের প্রতিপক্ষ ও প্রতিপক্ষ রাজনীতি দলের প্রার্থী কর্মী দ্বারা আমরা কতটুকু ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখীন হতে পারি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রাজনৈতিক দলের মতো কোন আমাদের সুসংগঠিত কর্মী বাহিনী
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সামনে এক আপিল আবেদনকারীর ওপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশন (সিইসি) বরাবর টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসনের সাংসদ সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম এই আবেদন করেন। আইনজীবী নিজে বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
আবেদনে বলা হয়, গণমাধ্যমের সুবাদে দেশবাসীর সঙ্গে আমি ও আমার পরিবার-পরিজন, আত্নীয়-স্বজন অবগত হয়েছি যে, ১৬ জানুয়ারি আপনার নির্বাচন সচিবালয় সম্মুখে এক আবেদনকারীকে কতিপয় সন্ত্রাসী প্রকাশ্য দিবালোকে সবার সামনে আদিম যুগের মতো বর্বর কায়দায় কিল-ঘুষি-লাথি-থাপ্পড় মারেন।
বিষয়টি নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন ও ভীত। কারণ আপনাদের সম্মুখে যদি একজন আবেদনকারীকে এভাবে আদিম যুগের মতো বর্বর কায়দায় পেটানো হয় তাহলে আমরা যারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি, তাদের প্রতিপক্ষ ও প্রতিপক্ষ রাজনীতি দলের প্রার্থী কর্মী দ্বারা আমরা কতটুকু ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখীন হতে পারি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রাজনৈতিক দলের মতো কোন আমাদের সুসংগঠিত কর্মী বাহিনী না থাকাই স্বাভাবিক।
কিন্তু একজন প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের সময় বর্বর সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার হই এবং আমাদের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে তার দ্বায়-দ্বায়িত্ব কার?
১৬ জানুয়ারি ঘটে যাওয়া এই অনাকাঙ্খিত ঘটনার কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না তা আমরা দেশবাসী এখনও জানতে পারিনি।
আপনাদের সম্মুখে ঘটে যাওয়া এই অনাকাঙ্খিত ঘটনার একটি পরীক্ষা মাত্র, আপনারা যদি এই সামান্য পরীক্ষায় প্রার্থী তথা দেশবাসীর কাছে আপনাদের বলিষ্ঠতা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে দেশবাসী তথা বিশ্ববাসীর কাছে আপনাদের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রয়োদশ নির্বাচন কারও কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।
বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি বিষয়টিকে হালকাভাবে না নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে আসামিদের আইনের নিকট সোর্পদ করে ত্রয়োদশ নির্বাচনের প্রার্থী ও দেশবাসীকে আশ্বস্ত করবেন যে কোনো ভাবেই ত্রয়োদশ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেবেন না বরং সবার নিকট আপনাদের মাধ্যমে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন যেন সার্বজনিন ভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায় তার সর্বোত্তম চেষ্টা করবেন।
এফএইচ/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?