ইয়াবা সেবনকালে ঢাকা কলেজের ২ শিক্ষার্থী আটক

রাজধানীর ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে ইয়াবা সেবনকালে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছে নর্থ হলের প্রভোস্ট।  রোববার (১১ জানুয়ারি) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে কলেজের সাউথ হলের পাম্পরুমের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।  আটক ২ জন শিক্ষার্থী হলেন ২২-২৩ সেশনের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী  মোহাম্মদ আলী তানজিম এবং ইতিহাস বিভাগের ২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী মো. রাশেদ। জানা যায়, উত্তর ছাত্রাবাসের পেছনে গোপনে ২ জনকে ইয়াবা খেতে দেখেন হলের স্টাফরা। এরপর হল প্রভোস্টকে কল দিয়ে ডেকে আনার পর তাদের হাতেনাতে ধরা হয়। পরে ওই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা থাকায় আইডি কার্ড রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের উত্তর ছাত্রাবাসের প্রোভোস্ট মো. ইকবাল হোসাইন জানান, ঘটনা সত্য। রাতের বেলা জায়গাটি অন্ধকার থাকে। বিষয়টি নজরে আসার পর আমার স্টাফ সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানায়। আমি একটা অনুষ্ঠানে ছিলাম তখনই সেখান থেকে আসি। পরে প্রয়োজনীয় প্রমাণ পাওয়া যায়। বিষয়টি আমি স্বাভাবিকভাবেই কলেজ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতনদের অবহিত করি। একই সঙ্গে তাদের আইডি কার্ড ও বিভাগসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করি। তিনি আরও জানান, তাদের প্রায় এক

ইয়াবা সেবনকালে ঢাকা কলেজের ২ শিক্ষার্থী আটক
রাজধানীর ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে ইয়াবা সেবনকালে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছে নর্থ হলের প্রভোস্ট।  রোববার (১১ জানুয়ারি) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে কলেজের সাউথ হলের পাম্পরুমের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।  আটক ২ জন শিক্ষার্থী হলেন ২২-২৩ সেশনের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী  মোহাম্মদ আলী তানজিম এবং ইতিহাস বিভাগের ২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী মো. রাশেদ। জানা যায়, উত্তর ছাত্রাবাসের পেছনে গোপনে ২ জনকে ইয়াবা খেতে দেখেন হলের স্টাফরা। এরপর হল প্রভোস্টকে কল দিয়ে ডেকে আনার পর তাদের হাতেনাতে ধরা হয়। পরে ওই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা থাকায় আইডি কার্ড রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের উত্তর ছাত্রাবাসের প্রোভোস্ট মো. ইকবাল হোসাইন জানান, ঘটনা সত্য। রাতের বেলা জায়গাটি অন্ধকার থাকে। বিষয়টি নজরে আসার পর আমার স্টাফ সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানায়। আমি একটা অনুষ্ঠানে ছিলাম তখনই সেখান থেকে আসি। পরে প্রয়োজনীয় প্রমাণ পাওয়া যায়। বিষয়টি আমি স্বাভাবিকভাবেই কলেজ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতনদের অবহিত করি। একই সঙ্গে তাদের আইডি কার্ড ও বিভাগসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করি। তিনি আরও জানান, তাদের প্রায় এক ঘণ্টার মতো আটক রাখা হয়েছিল। এরপর জানতে পারি, তাদের পরীক্ষা রয়েছে কাল নয়, পরশু। এক ঘণ্টা পর আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, স্টাফ এবং সহকারী হল সুপারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করি। বিশেষ করে প্রিন্সিপাল স্যারের সঙ্গে কথা বলে কী করা যায়, সে বিষয়ে পরামর্শ নেই। আলোচনা শেষে আমি নিজ দায়িত্বে একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ছেড়ে দিই। যেহেতু তাদের পরিচয়পত্র, বিভাগসহ সব তথ্য আমাদের কাছে ছিল, তাই তাদের কোনোভাবে বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।  এ বিষয়ে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, বিষয়টি আমি অবগত না। তবে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিশ্চিত হয়ে সবার সঙ্গে কথা বলে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow