ইয়ামালের অসাধারণ গোলে আবারও লা লিগার শীর্ষে বার্সা
স্প্যানিশ লা লিগায় প্রথমার্ধে ভুগলেও শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের ভুলকেই অস্ত্র বানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিল বার্সেলোনা। ওভিয়েদোর দুই বড় রক্ষণাত্মক ভুল কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচ নিজেদের করে নেয় কাতালানরা। দানি ওলমো, রাফিনহা ও শেষে ইয়ামালের চোখ ধাঁধানো বাইসাইকেল কিকে ৩-০ ব্যবধানে জিতে লিগের শীর্ষে দিন শেষ করল হান্সি ফ্লিকের দল।
টেবিলের তলানির দল হলেও ওভিয়েদো শুরু থেকেই বার্সার জন্য অস্বস্তিকর প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে। আলমাদার অধীনে নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে তারা মাঝমাঠে প্রেসিং বাড়িয়ে দেয় এবং বল দখলে আধিপত্য দেখাতে চাওয়া বার্সাকে ছন্দে ফিরতে দেয়নি। পেদ্রির অনুপস্থিতিতে গেম কন্ট্রোলের ঘাটতি স্পষ্ট ছিল, আর উইং-ব্যাকে এরিক গার্সিয়া ও কানসেলোর নতুন ভূমিকাও প্রথমার্ধে পুরোপুরি কাজ করেনি।
বার্সার আক্রমণভাগ প্রথমার্ধে কার্যত নিষ্প্রভ ছিল। রাফিনহা ও লামিন ইয়ামাল প্রান্ত দিয়ে প্রভাব ফেলতে পারেননি, লেভানডভস্কিও পর্যাপ্ত সার্ভিস পাননি। উল্টো ওভিয়েদোর হাসান ও ফেদে ভিনিয়াস বার্সার রক্ষণে ব্যস্ততা বাড়ান। বিরতির আগে একমাত্র অন-টার্গেট শটটি আসে রাফিনহার পা থেকে, যা সহজেই ঠেকান ওভিয়েদো গোলরক্ষক আরন এ
স্প্যানিশ লা লিগায় প্রথমার্ধে ভুগলেও শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের ভুলকেই অস্ত্র বানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিল বার্সেলোনা। ওভিয়েদোর দুই বড় রক্ষণাত্মক ভুল কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচ নিজেদের করে নেয় কাতালানরা। দানি ওলমো, রাফিনহা ও শেষে ইয়ামালের চোখ ধাঁধানো বাইসাইকেল কিকে ৩-০ ব্যবধানে জিতে লিগের শীর্ষে দিন শেষ করল হান্সি ফ্লিকের দল।
টেবিলের তলানির দল হলেও ওভিয়েদো শুরু থেকেই বার্সার জন্য অস্বস্তিকর প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে। আলমাদার অধীনে নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে তারা মাঝমাঠে প্রেসিং বাড়িয়ে দেয় এবং বল দখলে আধিপত্য দেখাতে চাওয়া বার্সাকে ছন্দে ফিরতে দেয়নি। পেদ্রির অনুপস্থিতিতে গেম কন্ট্রোলের ঘাটতি স্পষ্ট ছিল, আর উইং-ব্যাকে এরিক গার্সিয়া ও কানসেলোর নতুন ভূমিকাও প্রথমার্ধে পুরোপুরি কাজ করেনি।
বার্সার আক্রমণভাগ প্রথমার্ধে কার্যত নিষ্প্রভ ছিল। রাফিনহা ও লামিন ইয়ামাল প্রান্ত দিয়ে প্রভাব ফেলতে পারেননি, লেভানডভস্কিও পর্যাপ্ত সার্ভিস পাননি। উল্টো ওভিয়েদোর হাসান ও ফেদে ভিনিয়াস বার্সার রক্ষণে ব্যস্ততা বাড়ান। বিরতির আগে একমাত্র অন-টার্গেট শটটি আসে রাফিনহার পা থেকে, যা সহজেই ঠেকান ওভিয়েদো গোলরক্ষক আরন এসকানদেল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ৫২ মিনিটে ডেভিড কারমোর আত্মবিশ্বাসী বিল্ড-আপে চাপ তৈরি করেন লামিন ইয়ামাল। বক্সের ভেতরে বল ছিনিয়ে নিয়ে সুযোগ তৈরি হলে দানি ওলমো ঠান্ডা মাথায় নিচু শটে জাল খুঁজে নেন—১-০।
মাত্র পাঁচ মিনিট পর আবার বড় ভুল। ডেভিড কোস্তাসের দুর্বল ব্যাক-পাসে রাফিনহা সুযোগ নিয়ে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল চিপ করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন—২-০। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল খেয়ে ছন্দ হারিয়ে ফেলে ওভিয়েদো।
ম্যাচ তখন পুরোপুরি বার্সার নিয়ন্ত্রণে। এরপর আরেকটি বল হারানোর মূল্য চোকাতে হয় অতিথিদের। দানি ওলমোর নিখুঁত ক্রস থেকে লামিন ইয়ামাল অসাধারণ গোল করে স্কোরলাইন ৩-০ করেন। তরুণ তারকার এই গোল ক্যাম্প নুতে দাঁড়িয়ে করতালিতে ভাসে।
শেষদিকে বড় কোনো নাটক না হলেও, সাবেক তারকা সান্তি কাজোরলাকে মাঠে নামিয়ে ক্যাম্প নুতে আবেগঘন বিদায় জানানোর সুযোগ দেন আলমাদা। তাতে দর্শকদের আবেগও ছুঁয়ে যায়।