ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরও এক দেশ
এগিয়ে আসছে পবিত্র জিলহজ মাস। ২০২৬ সালের ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে মুসলিমদের মধ্যে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্বের মুসলিমদের কাছে ঈদুল আজহা বছরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সময়। মিশরের দৈনিক আল-মাসরী-ইল-ইয়ূম জানায়, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, ১৪৪৭ হিজরি সালের জিলহজ মাসের প্রথম দিন শুরু হতে পারে ২০২৬ সালের ১৮ মে (সোমবার)। এর আগের দিন ১৭ মে (রবিবার) হবে জিলকদ মাসের শেষ দিন। এই হিসাবে মিশরে ২০২৬ সালের ঈদুল আজহার ছুটি নির্ধারিত হতে পারে ২৭ মে (বুধবার) থেকে ২৯ মে (শুক্রবার) পর্যন্ত। এর আগে ২৬ মে (মঙ্গলবার) পালিত হবে পবিত্র আরাফার দিন, যা হজের অন্যতম প্রধান আনুষ্ঠানিকতা। এরপর ২৮ মে হতে পারে পবিত্র ঈদুল আজহা। ইসলামি বা হিজরি ক্যালেন্ডার মূলত চাঁদের গতিপথের ওপর নির্ভরশীল। চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে যে সময় নেয়, সেটিই একটি চান্দ্র মাস হিসেবে গণ্য হয়। হিজরি ক্যালেন্ডারের ১২টি মাস হলো— মহররম, সফর, রবিউল আউয়াল, রবিউস সানি, জমাদিউল আউয়াল, জমাদিউস সানি, রজব, শাবান, রমজান, শাওয়াল, জিলকদ এবং জিলহজ। এই চান্দ্র বর্ষপঞ্জি বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে অনুসরণ করা হয়। বিশেষ করে সৌদ
এগিয়ে আসছে পবিত্র জিলহজ মাস। ২০২৬ সালের ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে মুসলিমদের মধ্যে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্বের মুসলিমদের কাছে ঈদুল আজহা বছরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সময়।
মিশরের দৈনিক আল-মাসরী-ইল-ইয়ূম জানায়, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, ১৪৪৭ হিজরি সালের জিলহজ মাসের প্রথম দিন শুরু হতে পারে ২০২৬ সালের ১৮ মে (সোমবার)। এর আগের দিন ১৭ মে (রবিবার) হবে জিলকদ মাসের শেষ দিন।
এই হিসাবে মিশরে ২০২৬ সালের ঈদুল আজহার ছুটি নির্ধারিত হতে পারে ২৭ মে (বুধবার) থেকে ২৯ মে (শুক্রবার) পর্যন্ত। এর আগে ২৬ মে (মঙ্গলবার) পালিত হবে পবিত্র আরাফার দিন, যা হজের অন্যতম প্রধান আনুষ্ঠানিকতা। এরপর ২৮ মে হতে পারে পবিত্র ঈদুল আজহা।
ইসলামি বা হিজরি ক্যালেন্ডার মূলত চাঁদের গতিপথের ওপর নির্ভরশীল। চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে যে সময় নেয়, সেটিই একটি চান্দ্র মাস হিসেবে গণ্য হয়। হিজরি ক্যালেন্ডারের ১২টি মাস হলো— মহররম, সফর, রবিউল আউয়াল, রবিউস সানি, জমাদিউল আউয়াল, জমাদিউস সানি, রজব, শাবান, রমজান, শাওয়াল, জিলকদ এবং জিলহজ। এই চান্দ্র বর্ষপঞ্জি বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে অনুসরণ করা হয়। বিশেষ করে সৌদি আরবসহ বেশ কিছু আরব দেশ এটি রাষ্ট্রীয় ক্যালেন্ডার হিসেবে ব্যবহার করে।
ঐতিহাসিকভাবে, খলিফা উমর ইবন আল-খাত্তাব হিজরি সনের প্রচলন করেন। তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতকে (৬২২ খ্রিস্টাব্দ) হিজরি সনের সূচনা হিসেবে নির্ধারণ করেন। এ কারণে এই বর্ষপঞ্জিকে ‘হিজরি’ ক্যালেন্ডার বলা হয়।
উল্লেখ্য, ঈদুল আজহার চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে, যা সংশ্লিষ্ট দেশের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে থাকে।
What's Your Reaction?