ঈদের দিন ২৫০০ মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেবেন একদল মেডিকেল শিক্ষার্থী
বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছে একদল তরুণ মেডিকেল শিক্ষার্থী। ‘রুটি-মাংসের স্বাদ’ শীর্ষক এই উদ্যোগের আওতায় ঈদের দিন আড়াই হাজারের বেশি মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নেওয়া উদ্যোগের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঈদের দিনেও যারা হাসপাতালের বিছানায় বা কর্মব্যস্ততায় আটকে আছেন তাদের দোরগোড়ায় খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মধ্যে হাসপাতালের দুই হাজার সাধারণ রোগীকে খাবার সরবরাহ করা হবে। ঈদের দিনেও ডিউটিতে থাকা ৪০০ থেকে ৫০০ জন চিকিৎসক, নার্স এবং পরীক্ষার কারণে হোস্টেলে থেকে যাওয়া মেডিকেল শিক্ষার্থীও খাবার পাবেন। এছাড়া সনাতন ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য সম্পূর্ণ আলাদাভাবে খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। ৫০০+ কেজি কোরবানির মাংস সংগ্রহের আহ্বান আয়োজকরা জানিয়েছেন, লক্ষ্যপূরণে তাদের কমপক্ষে ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি কোরবানির মাংস (গরু ও খাসি) প্রয়োজন। ঢাকার বাসিন্দা ও ছাত্রসমাজ যদি যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসেন, তবে এই লক্ষ্য পূরণ করা খুব সহজ হবে। আয়োজকরা বলছেন, যদি এই পরিমাণ মাংস সরাসরি সাধারণ মানুষ
বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছে একদল তরুণ মেডিকেল শিক্ষার্থী। ‘রুটি-মাংসের স্বাদ’ শীর্ষক এই উদ্যোগের আওতায় ঈদের দিন আড়াই হাজারের বেশি মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের নেওয়া উদ্যোগের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
ঈদের দিনেও যারা হাসপাতালের বিছানায় বা কর্মব্যস্ততায় আটকে আছেন তাদের দোরগোড়ায় খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মধ্যে হাসপাতালের দুই হাজার সাধারণ রোগীকে খাবার সরবরাহ করা হবে। ঈদের দিনেও ডিউটিতে থাকা ৪০০ থেকে ৫০০ জন চিকিৎসক, নার্স এবং পরীক্ষার কারণে হোস্টেলে থেকে যাওয়া মেডিকেল শিক্ষার্থীও খাবার পাবেন। এছাড়া সনাতন ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য সম্পূর্ণ আলাদাভাবে খাবারের ব্যবস্থা করা হবে।
৫০০+ কেজি কোরবানির মাংস সংগ্রহের আহ্বান
আয়োজকরা জানিয়েছেন, লক্ষ্যপূরণে তাদের কমপক্ষে ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি কোরবানির মাংস (গরু ও খাসি) প্রয়োজন। ঢাকার বাসিন্দা ও ছাত্রসমাজ যদি যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসেন, তবে এই লক্ষ্য পূরণ করা খুব সহজ হবে।
আয়োজকরা বলছেন, যদি এই পরিমাণ মাংস সরাসরি সাধারণ মানুষের অনুদান থেকে সংগ্রহ করা যায়, তবে প্রজেক্টের বাকি আনুষঙ্গিক খরচ (রুটি, মশলা, অন্যান্য লজিস্টিকস) দেড় লাখ টাকার মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। অন্যথায়, বাজার থেকে মাংস কিনতে হলে এই খরচ দ্বিগুণ বা তার চেয়েও বেশি হয়ে যেতে পারে।
আপনি যেভাবে পাশে দাঁড়াতে পারেন
দুইভাবে এই উদ্যোগে শরিক হওয়ার কথা জানিয়েছেন আয়োজকরা। এর মধ্যে শুধুমাত্র ঢাকাবাসীরা কোরবানির মাংস অনুদান দিতে পারবেন। এ জন্য তাদের নির্দিষ্ট গুগল ফরম পূরণ করতে হবে। তাহলেই আয়োজকরা মাংস সংগ্রহ করে নিয়ে আসবেন।
অপর দিকে, যারা ঢাকার বাইরে অবস্থান করছেন তারা নগদ টাকা পাঠাতে পারবেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, একজন ব্যক্তি মাত্র ৮০০ টাকা পাঠিয়ে একজন রোগীর সম্পূর্ণ ঈদের খাবারের দায়িত্ব নিতে পারেন।
এসইউজে/এমএমকে
What's Your Reaction?