ঈদের নামাজ ছুটে গেলে করণীয় কী
মুসলমানদের জন্য ঈদ শুধু আনন্দের দিনই নয়, বরং এটি ইবাদত, কৃতজ্ঞতা ও সামষ্টিক মিলনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। রমজানের এক মাসের সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর এবং কোরবানির আমেজে ঈদুল আজহার দিন মুসলমানরা ঈদগাহ বা মসজিদে একত্রিত হয়ে আদায় করেন ঈদের বিশেষ নামাজ। এই নামাজ মুসলিম সমাজে আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। তাই স্বাভাবিকভাবেই ঈদের দিন সকালবেলায় সময়মতো ঈদগাহে পৌঁছে নামাজ আদায় করার জন্য সবাই চেষ্টা করেন। তবে কখনো কখনো দেরি হয়ে যাওয়া, ঘুম থেকে দেরিতে ওঠা কিংবা অন্য কোনো কারণে কারো ঈদের নামাজ ছুটে যেতে পারে। তখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঈদের নামাজ কি পরে কাজা করে আদায় করা যাবে? নাকি এর কোনো ভিন্ন বিধান রয়েছে? ইসলামি ফিকহের আলোচনায় এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়। রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী কালবেলাকে বলেন, ঈদের নামাজে কাজার বিধান নেই। তাই কারো ঈদের নামাজ ছুটে গেলে সে আশপাশের অন্য কোনো ঈদের জামাতে শরিক হওয়ার চেষ্টা করবে। এমনটি সম্ভব না হলে তওবা-ইস্তেগফার করবে। (শরহু মুখতাসারিত তাহাবী : ২/১৬১, আলমুহীতুল বুরহ
মুসলমানদের জন্য ঈদ শুধু আনন্দের দিনই নয়, বরং এটি ইবাদত, কৃতজ্ঞতা ও সামষ্টিক মিলনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। রমজানের এক মাসের সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর এবং কোরবানির আমেজে ঈদুল আজহার দিন মুসলমানরা ঈদগাহ বা মসজিদে একত্রিত হয়ে আদায় করেন ঈদের বিশেষ নামাজ।
এই নামাজ মুসলিম সমাজে আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। তাই স্বাভাবিকভাবেই ঈদের দিন সকালবেলায় সময়মতো ঈদগাহে পৌঁছে নামাজ আদায় করার জন্য সবাই চেষ্টা করেন। তবে কখনো কখনো দেরি হয়ে যাওয়া, ঘুম থেকে দেরিতে ওঠা কিংবা অন্য কোনো কারণে কারো ঈদের নামাজ ছুটে যেতে পারে।
তখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঈদের নামাজ কি পরে কাজা করে আদায় করা যাবে? নাকি এর কোনো ভিন্ন বিধান রয়েছে? ইসলামি ফিকহের আলোচনায় এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়।
| রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী কালবেলাকে বলেন, ঈদের নামাজে কাজার বিধান নেই। তাই কারো ঈদের নামাজ ছুটে গেলে সে আশপাশের অন্য কোনো ঈদের জামাতে শরিক হওয়ার চেষ্টা করবে। এমনটি সম্ভব না হলে তওবা-ইস্তেগফার করবে। (শরহু মুখতাসারিত তাহাবী : ২/১৬১, আলমুহীতুল বুরহানী : ২/৪৯৮, আলহাবীল কুদসী : ১/২৪৪) |
প্রসঙ্গত, ঈদের নামাজ দুই রাকাত। এই নামাজের নিয়ম হলো, নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বলে নামাজ শুরু করে ছানা পড়বে। ছানা পড়ার পর ‘আল্লাহু আকবার’ ‘আল্লাহু আকবার’ ‘আল্লাহু আকবার’ বলে আরও তিনটি তাকবির বলবে।
প্রথম দুই তাকবির বলার সময় উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে হাত না বেঁধে ছেড়ে দেবে। তৃতীয় তাকবির বলার সময় কানের লতি পর্যন্ত হাত উঠিয়ে বেঁধে নেবে। অতঃপর সুরা-কেরাত পড়ে রুকুতে যাবে এবং প্রথম রাকাত শেষ করবে।
দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়ে সুরা-কেরাত পড়ে রুকুতে যাওয়ার পূর্বে আগের নিয়মে তিনটি তাকবির বলবে। তবে দ্বিতীয় রাকাতে তৃতীয় তাকবির বলার সময়ও হাত না বেঁধে ছেড়ে দেবে। অতঃপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকু করবে। এরপর অন্যান্য নামাজের ন্যায় যথারীতি নামাজ শেষ করবে। (কিতাবুল আছল : ১/৩১৯, আলহাবীল কুদসী : ১/২৪৩)
What's Your Reaction?