ঈদে দর্শনার্থীদের জন্য প্রস্তুত জাতীয় চিড়িয়াখানা
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। এরই অংশ হিসেবে রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। ঈদের ছুটিতে কয়েক লাখ দর্শনার্থীর সমাগম হতে পারে বলে আশা করছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৭ মে) চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখা যায়, ভেতরের বিভিন্ন সড়কের সংস্কারকাজ শেষ করা হয়েছে। টিকিট কাউন্টার এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাড়ানো হয়েছে। মূল ফটকের বাম পাশে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী টিকিট কাউন্টার। দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও বের হওয়া নির্বিঘ্ন করতে বাঁশের কিউ লাইন তৈরি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের দিন সকালে কোরবানির ব্যস্ততার কারণে দর্শনার্থী তুলনামূলক কম থাকতে পারে। তবে দুপুরের পর থেকে ভিড় বাড়তে পারে। ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থীরা আসবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি বৃশ্টির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সংস্কার করা হয়েছে যাত্রী ছাউনি। দর্শনার্থীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এখানে ১৩১ প্রজাতির ৩ হাজার ৩৪২
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। এরই অংশ হিসেবে রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। ঈদের ছুটিতে কয়েক লাখ দর্শনার্থীর সমাগম হতে পারে বলে আশা করছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২৭ মে) চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখা যায়, ভেতরের বিভিন্ন সড়কের সংস্কারকাজ শেষ করা হয়েছে। টিকিট কাউন্টার এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাড়ানো হয়েছে। মূল ফটকের বাম পাশে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী টিকিট কাউন্টার। দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও বের হওয়া নির্বিঘ্ন করতে বাঁশের কিউ লাইন তৈরি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের দিন সকালে কোরবানির ব্যস্ততার কারণে দর্শনার্থী তুলনামূলক কম থাকতে পারে। তবে দুপুরের পর থেকে ভিড় বাড়তে পারে। ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থীরা আসবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি বৃশ্টির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সংস্কার করা হয়েছে যাত্রী ছাউনি। দর্শনার্থীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এখানে ১৩১ প্রজাতির ৩ হাজার ৩৪২টি প্রাণী রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার দর্শনার্থী এলেও ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবে এই সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, প্রাণীদের শেডগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা এবং পুরো চিড়িয়াখানাকে সাজানোর কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত থাকবে। প্রবেশদ্বারে এন্ট্রি লাইনের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে দিকনির্দেশক সাইনবোর্ডও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাণীদের সুস্থ রাখতে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর মিরপুরে ১৮৬ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই চিড়িয়াখানাকে ঘিরে ঈদ আনন্দে দর্শনার্থীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এসএম/এসএনআর
What's Your Reaction?