ঈদ ঘিরে পশুর হাটে র্যাব-১০ এর কড়া নিরাপত্তা
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী সংলগ্ন বিভিন্ন পশুর হাটে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাব-১০। একই সঙ্গে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি। শুক্রবার (২৩ মে) বেলা ১১টার দিকে কেরানীগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন পশুর হাট পরিদর্শন করেন র্যাব-১০ এর সদস্যরা। এ সময় হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানজট নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জাল টাকা শনাক্তকরণ কার্যক্রম এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। র্যাব জানায়, ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ স্লোগানকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের আইনের আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পাশাপাশি দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে বাহিনীটি। ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর হাটগুলোতে ছিনতাই, জাল টাকা লেনদেন, চাঁদাবাজি, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে র্যাব-১০। হাট এলাকায় সাদা পো
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী সংলগ্ন বিভিন্ন পশুর হাটে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাব-১০। একই সঙ্গে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
শুক্রবার (২৩ মে) বেলা ১১টার দিকে কেরানীগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন পশুর হাট পরিদর্শন করেন র্যাব-১০ এর সদস্যরা। এ সময় হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানজট নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জাল টাকা শনাক্তকরণ কার্যক্রম এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
র্যাব জানায়, ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ স্লোগানকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের আইনের আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পাশাপাশি দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে বাহিনীটি।
ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর হাটগুলোতে ছিনতাই, জাল টাকা লেনদেন, চাঁদাবাজি, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে র্যাব-১০। হাট এলাকায় সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি পর্যাপ্তসংখ্যক র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া পশুবাহী যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ কেনাবেচা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বাহিনীটি।
র্যাব-১০ এর পক্ষ থেকে হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতা ও সাধারণ জনগণকে সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে নিকটস্থ র্যাব সদস্য বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়।
ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করতে যাত্রীদের বাসের ছাদ, ট্রাক, পিকআপ কিংবা অন্যান্য পণ্যবাহী যানবাহনে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে র্যাব। পাশাপাশি লঞ্চ, স্টিমার ও স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে ভ্রমণ থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ট্রেনযাত্রীদের ট্রেনের ছাদ, বাফার, পাদানি ও ইঞ্জিনে ভ্রমণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়।
র্যাব জানায়, ঈদকেন্দ্রিক ছুটিতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব-১০ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় রোবাস্ট পেট্রোল টিম ও সাদা পোশাকে সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
What's Your Reaction?