ঈদ বার্তায় ইসরাইলকে ‘উপড়ে ফেলার’ অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির
পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় ইসরাইলকে ‘সমূলে উৎখাত’ করার অঙ্গীকার করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি ইসরাইলকে “এই অঞ্চলের একটি বিপজ্জনক ও মারাত্মক ক্যানসারযুক্ত টিউমার” বলে উল্লেখ করেন। ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। বার্তায় খামেনি বলেন, “ইসরাইলকে অবশ্যই উপড়ে ফেলতে হবে এবং তা করা হবেই।” তিনি আরও দাবি করেন, “চাপিয়ে দেওয়া দ্বিতীয় যুদ্ধের সময়” ইরান তাদের বিধ্বংসী হামলার মাধ্যমে “জায়নবাদী শাসনকে অসহায় করে তুলেছিল”। একই সঙ্গে তিনি এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি “কঠোর চপেটাঘাত” বলেও মন্তব্য করেন। খামেনির ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের হজ মৌসুম যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী অবস্থানকে আরও জোরালো করেছে। “আমেরিকার ধ্বংস হোক” এবং “ইসরাইলের ধ্বংস হোক”—এ দুটি স্লোগান ইসলামি উম্মাহর প্রধান স্লোগানে পরিণত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এছাড়া তিনি বলেন, “ভবিষ্যৎ ইসলামি উম্মাহ এবং নতুন ইসলামী সভ্যতার।”
পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় ইসরাইলকে ‘সমূলে উৎখাত’ করার অঙ্গীকার করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি ইসরাইলকে “এই অঞ্চলের একটি বিপজ্জনক ও মারাত্মক ক্যানসারযুক্ত টিউমার” বলে উল্লেখ করেন।
ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
বার্তায় খামেনি বলেন, “ইসরাইলকে অবশ্যই উপড়ে ফেলতে হবে এবং তা করা হবেই।”
তিনি আরও দাবি করেন, “চাপিয়ে দেওয়া দ্বিতীয় যুদ্ধের সময়” ইরান তাদের বিধ্বংসী হামলার মাধ্যমে “জায়নবাদী শাসনকে অসহায় করে তুলেছিল”। একই সঙ্গে তিনি এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি “কঠোর চপেটাঘাত” বলেও মন্তব্য করেন।
খামেনির ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের হজ মৌসুম যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী অবস্থানকে আরও জোরালো করেছে। “আমেরিকার ধ্বংস হোক” এবং “ইসরাইলের ধ্বংস হোক”—এ দুটি স্লোগান ইসলামি উম্মাহর প্রধান স্লোগানে পরিণত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া তিনি বলেন, “ভবিষ্যৎ ইসলামি উম্মাহ এবং নতুন ইসলামী সভ্যতার।”
What's Your Reaction?