উকিল মুন্সীকে নিয়ে ‘একতারার ইমাম’
মরমী সাধক উকিল মুন্সীর ১৪১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার জীবন ও দর্শনভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ‘একতারার ইমাম’ প্রদর্শিত হবে আজ (১১ জুন, বৃহস্পতিবার)। এ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে সন্ধ্যা ৬টায় আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ স্মরণসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠান। নির্মাণ প্রতিষ্ঠান সিনেহাট ও মোশন বাংলার উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি উকিল মুন্সীর জীবন, দর্শন ও বাংলা সংস্কৃতিতে তার অবদান নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রযোজিত ‘একতারার ইমাম’ প্রামাণ্যচিত্রটির রচনা ও পরিচালনা করেছেন গবেষক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা অনার্য মুর্শিদ। নেত্রকোনার বেতাই নদীর তীরের সাধক উকিল মুন্সী ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। একদিকে তিনি মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, অন্যদিকে কৃষ্ণভজন ও মরমী সংগীত রচনার মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেছেন বাংলা লোকসংগীতের ভান্ডার। ‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি’, ‘অপরাধী হইলেও আমি বন্ধু তোর’ এবং ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’সহ তার অসংখ্য গান আজও মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়। আরও পড়ুন আর্জেন্টিনাকে বাংলাদেশের অঙ্গরাজ্য ঘো
মরমী সাধক উকিল মুন্সীর ১৪১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার জীবন ও দর্শনভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ‘একতারার ইমাম’ প্রদর্শিত হবে আজ (১১ জুন, বৃহস্পতিবার)। এ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে সন্ধ্যা ৬টায় আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ স্মরণসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠান।
নির্মাণ প্রতিষ্ঠান সিনেহাট ও মোশন বাংলার উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি উকিল মুন্সীর জীবন, দর্শন ও বাংলা সংস্কৃতিতে তার অবদান নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রযোজিত ‘একতারার ইমাম’ প্রামাণ্যচিত্রটির রচনা ও পরিচালনা করেছেন গবেষক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা অনার্য মুর্শিদ।
নেত্রকোনার বেতাই নদীর তীরের সাধক উকিল মুন্সী ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। একদিকে তিনি মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, অন্যদিকে কৃষ্ণভজন ও মরমী সংগীত রচনার মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেছেন বাংলা লোকসংগীতের ভান্ডার।
‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি’, ‘অপরাধী হইলেও আমি বন্ধু তোর’ এবং ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’সহ তার অসংখ্য গান আজও মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়।
প্রামাণ্যচিত্রটিতে হবিগঞ্জের রিচি দরবার শরিফের পীর সৈয়দ গোলাম মোস্তফা উকিল মুন্সী সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, উকিল মুন্সী শুধু একজন ইমামই ছিলেন না, তিনি একজন পীরও ছিলেন। রিচির পীর সৈয়দ মোজাফফর আহমদের খেলাফতপ্রাপ্ত ১২ জন আউলিয়ার একজন ছিলেন তিনি।
চলচ্চিত্রটির চিত্রগ্রহণ করেছেন পিকলু নীল, প্রভাত আহমেদ ও জন উইলিয়াম। আবহসংগীত ও শব্দ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন রবিউল ইসলাম শশী। সম্পাদনা ও রংবিন্যাস করেছেন লায়লা ফেরদৌসী।
প্রামাণ্যচিত্রটির অন্যতম আকর্ষণ এর পোস্টার। উকিল মুন্সীর কোনো আলোকচিত্র না থাকায় তার জীবিত আত্মীয়-স্বজনদের বর্ণনার ভিত্তিতে শিল্পী এ জেড শিমুল তার প্রতিকৃতি এঁকেছেন।
‘একতারার ইমাম’ উৎসর্গ করা হয়েছে তিনজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে-প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক যতীন সরকার, উকিল মুন্সীর গানের প্রধান সংগ্রাহক আবু হান্নান এবং তার পুত্রবধূ ফুলবানুকে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রামাণ্যচিত্রটির চূড়ান্ত সম্পাদনা শেষ হওয়ার আগেই তারা সবাই মৃত্যুবরণ করেন।
চলচ্চিত্রটির নির্মাতা অনার্য মুর্শিদ বলেন, ‘সংগীতকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে শরিয়তভিত্তিক যে বিতর্ক ও প্রশ্ন সামনে আসে, ‘একতারার ইমাম’ সেই প্রশ্নের একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক উত্তর খোঁজার চেষ্টা।’
এমএমএফ/জেআইএম
What's Your Reaction?

