উজানের ঢল, বৃষ্টি ও ভাঙনে আতঙ্কে হরিজন পল্লী

টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খোয়াই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।  এতে উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নের নালমুখ বাজার এলাকার হরিজন পল্লী রবিদাসপাড়াসহ আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত কয়েক বছর ধরে খোয়াই নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনরোধে কয়েক মাস আগে জরুরি ভিত্তিতে ব্লক ফেলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, হরিজন পল্লী পাশ থেকে এবং এর উল্টো পাশ থেকে নিয়মিত বালু উত্তোলনের ফলে ভাঙন হচ্ছে এবং কাজের অনিয়ম ও নিম্নমানের ব্লক সামগ্রী ব্যবহারের কারণে ওই ব্যবস্থা টেকসই হয়নি। ইতোমধ্যে হরিজন সম্প্রদায়ের রবিদাসপাড়ার প্রায় ১৫টি পরিবার সরাসরি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে তারা গৃহহীন হয়ে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, সাবিয়া চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, মুছিয়ান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আদমপুর গাছিয়া সুন্নিয়া দাখিল

উজানের ঢল, বৃষ্টি ও ভাঙনে আতঙ্কে হরিজন পল্লী
টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খোয়াই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।  এতে উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নের নালমুখ বাজার এলাকার হরিজন পল্লী রবিদাসপাড়াসহ আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত কয়েক বছর ধরে খোয়াই নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনরোধে কয়েক মাস আগে জরুরি ভিত্তিতে ব্লক ফেলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, হরিজন পল্লী পাশ থেকে এবং এর উল্টো পাশ থেকে নিয়মিত বালু উত্তোলনের ফলে ভাঙন হচ্ছে এবং কাজের অনিয়ম ও নিম্নমানের ব্লক সামগ্রী ব্যবহারের কারণে ওই ব্যবস্থা টেকসই হয়নি। ইতোমধ্যে হরিজন সম্প্রদায়ের রবিদাসপাড়ার প্রায় ১৫টি পরিবার সরাসরি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে তারা গৃহহীন হয়ে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, সাবিয়া চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, মুছিয়ান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আদমপুর গাছিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। স্থানীয় বাসিন্দা সুমন দাস জানান, খোয়াই নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে আজ আমরা ভাঙনের কবলে পড়েছি। জানি না আমরা এ থেকে কীভাবে মুক্তি পাব। তিনি আরও বলেন, আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। স্থানীয়রা দ্রুত বালু উত্তোলন বন্ধ ও কার্যকর ভাঙনরোধী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেলে এলাকায় বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow