উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে প্রশ্ন করার অভ্যাস গড়তে হবে : রুয়েট উপাচার্য
রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, উদ্ভাবন শক্তির বিকাশ ঘটাতে হলে প্রশ্ন করা শিখতে হবে। তোমাদের হাতেই গড়ে উঠবে আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনে আয়োজিত টেক কার্নিভাল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। রোবটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে ‘আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স বাংলাদেশ’ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। শিক্ষার্থীদের মনোবল চাঙ্গা করতে নেলসন ম্যান্ডেলার উদ্ধৃতি টেনে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা কখনো হারি না, হয় আমরা জিতি, নয়তো শিখি’। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি তোমাদের ভালোলাগার বিষয়গুলো তথা এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটির সাথে সম্পৃক্ত হতে হবে। আগামীর নেতৃত্ব তোমাদের হাতে, তাই এখন থেকেই নিজেদের যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। দিনব্যাপী এই কার্নিভালে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার মোট ৩৯টি দল অংশগ্রহণ করে। খুদে বিজ্ঞানীরা তাদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন রোবটিক্স প্রজেক্ট বিচারকদের সামনে উপস্থাপন করেন। প্রতিযোগিতায় সেরা তিনটি দল নেপালে আয়োজিত আন্তর্জ
রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, উদ্ভাবন শক্তির বিকাশ ঘটাতে হলে প্রশ্ন করা শিখতে হবে। তোমাদের হাতেই গড়ে উঠবে আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনে আয়োজিত টেক কার্নিভাল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। রোবটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে ‘আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স বাংলাদেশ’ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
শিক্ষার্থীদের মনোবল চাঙ্গা করতে নেলসন ম্যান্ডেলার উদ্ধৃতি টেনে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা কখনো হারি না, হয় আমরা জিতি, নয়তো শিখি’। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি তোমাদের ভালোলাগার বিষয়গুলো তথা এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটির সাথে সম্পৃক্ত হতে হবে। আগামীর নেতৃত্ব তোমাদের হাতে, তাই এখন থেকেই নিজেদের যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।
দিনব্যাপী এই কার্নিভালে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার মোট ৩৯টি দল অংশগ্রহণ করে। খুদে বিজ্ঞানীরা তাদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন রোবটিক্স প্রজেক্ট বিচারকদের সামনে উপস্থাপন করেন। প্রতিযোগিতায় সেরা তিনটি দল নেপালে আয়োজিত আন্তর্জাতিক রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে।
এদিন সকাল ৯টা থেকেই শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রজেক্ট নিয়ে রুয়েট চত্বরে জড়ো হতে শুরু করে। বিচারকবৃন্দ প্রতিটি প্রজেক্ট ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। খুদে শিক্ষার্থীরাও অত্যন্ত সাবলীলভাবে তাদের প্রজেক্টের খুঁটিনাটি ও কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করে। বিকেল ৩টায় অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীর হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ডিড প্রজেক্টের ডিরেক্টর মঞ্জুর শাহরিয়ার এবং রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমেই দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে আগামীর বিজ্ঞানী ও গবেষক তৈরি হবে।
What's Your Reaction?