উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য

ড্রোন হামলা মোকাবিলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য। এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটির নাম র্যাপিড র্যাঞ্জার, যা স্বল্প-পাল্লার একটি সিস্টেম এবং প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে দ্রুতগতির ড্রোন লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। শুক্রবার সকালে এ বিষয়ে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে আলোচনা করেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। একই ধরনের আরেকটি সিস্টেম সৌদি আরবে পাঠানো হচ্ছে, যা দেশটির বিদ্যমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। এদিকে ইরানের মধ্যাঞ্চলের আকাশে একটি অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এ ঘটনায় নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতার কথাও তুলে ধরেছে তারা। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। ইরানের দাবি, গত ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি দ্বিতীয় যুদ্ধবিমান যা তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ধ্বংস হয়েছে। বিমানটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় পাইলটের পরিণতি স

উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য

ড্রোন হামলা মোকাবিলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য।

এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটির নাম র্যাপিড র্যাঞ্জার, যা স্বল্প-পাল্লার একটি সিস্টেম এবং প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে দ্রুতগতির ড্রোন লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম।

শুক্রবার সকালে এ বিষয়ে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে আলোচনা করেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

একই ধরনের আরেকটি সিস্টেম সৌদি আরবে পাঠানো হচ্ছে, যা দেশটির বিদ্যমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

এদিকে ইরানের মধ্যাঞ্চলের আকাশে একটি অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এ ঘটনায় নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতার কথাও তুলে ধরেছে তারা।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরানের দাবি, গত ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি দ্বিতীয় যুদ্ধবিমান যা তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ধ্বংস হয়েছে। বিমানটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় পাইলটের পরিণতি সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও জানানো হয়।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতাসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে বলে দাবি করা হয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow