এই অজুহাত দিয়ে বাঁচার উপায় নেই: সাইফ

শুরুতেই টানা ২ উইকেট হারালেও বাংলাদেশকে ভালোভাবেই ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন সাইফ হাসান ও লিটন কুমার দাস। কিন্তু ৯৩ রানের জুটি গড়ার পর ১৮ রানের ব্যবধানে দুইজন ফেরারই ক্রমশ ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে থাকে টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ২৪৭ রানের জবাবে ২২২ রানে গুটিয়ে যায় মেহেদী হাসান মিরাজের দল। পাকিস্তান সিরিজের তুলনায় উইকেট কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও সেটাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চান না দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ রান করা সাইফ হাসান। শুক্রবার হারের পর বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন সাইফ। প্রথমে সাইফ ও পরে লিটন আউট হবার পর হুট করেই বাংলাদেশ রানরেটের চাপে পড়ে যায়। ওভার প্রতি বাংলাদেশের তখন প্রয়োজন ছিল ৪.৮ রান। সেটা লিটন আউটের পর ১৫ ওভারের মধ্যে সাড়ে ৭ পার হয়ে যায়। এভাবে হুট করে চাপে পড়ার কারণ ব্যাখ্যায় সাইফ বলেন, ‘আমার মনে হয় উইকেটটা শুরু থেকে একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু কিছু ভুল টাইমে আমাদের উইকেটগুলো পড়েছে। যেমন আমার উইকেটটা যদি… আমি ইনিংসটা আরেকটু বড় করতে পারতাম, সেট ব্যাটারের জন্য একটু সহজ ছিল। নতুন ব্যাটারের জন্য একটু কঠিন। কিন্তু এটাই আরকি… আমাদের মানিয়ে নিতে হবে।’ এর আগে

এই অজুহাত দিয়ে বাঁচার উপায় নেই: সাইফ

শুরুতেই টানা ২ উইকেট হারালেও বাংলাদেশকে ভালোভাবেই ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন সাইফ হাসান ও লিটন কুমার দাস। কিন্তু ৯৩ রানের জুটি গড়ার পর ১৮ রানের ব্যবধানে দুইজন ফেরারই ক্রমশ ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে থাকে টাইগাররা।

শেষ পর্যন্ত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ২৪৭ রানের জবাবে ২২২ রানে গুটিয়ে যায় মেহেদী হাসান মিরাজের দল। পাকিস্তান সিরিজের তুলনায় উইকেট কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও সেটাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চান না দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ রান করা সাইফ হাসান।

শুক্রবার হারের পর বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন সাইফ। প্রথমে সাইফ ও পরে লিটন আউট হবার পর হুট করেই বাংলাদেশ রানরেটের চাপে পড়ে যায়। ওভার প্রতি বাংলাদেশের তখন প্রয়োজন ছিল ৪.৮ রান। সেটা লিটন আউটের পর ১৫ ওভারের মধ্যে সাড়ে ৭ পার হয়ে যায়।

এভাবে হুট করে চাপে পড়ার কারণ ব্যাখ্যায় সাইফ বলেন, ‘আমার মনে হয় উইকেটটা শুরু থেকে একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু কিছু ভুল টাইমে আমাদের উইকেটগুলো পড়েছে। যেমন আমার উইকেটটা যদি… আমি ইনিংসটা আরেকটু বড় করতে পারতাম, সেট ব্যাটারের জন্য একটু সহজ ছিল। নতুন ব্যাটারের জন্য একটু কঠিন। কিন্তু এটাই আরকি… আমাদের মানিয়ে নিতে হবে।’

এর আগে গত মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে পুরোপুরো স্পোর্টিং উইকেটে খেলেছে বাংলাদেশ। এবারও সেই একই সুর ছিল কোচ-অধিনায়কের কণ্ঠে। কিন্তু মাঠে দেখা গেলো উইকেটে অসম বাউন্স আছে, স্পিনাররা ৪০ ওভারের পরেও যথেষ্ট টার্ন পেয়েছেন। যদিও সাইফ বলেছেন উইকেটের অজুহাত দিয়ে বেঁচে যাওয়া যাবে না।

পাকিস্তান সিরিজের সঙ্গে এই উইকেটের তুলনার প্রসঙ্গে সাইফ বলেন, ‘পাকিস্তান সিরিজে তো ট্রু উইকেট ছিল। এখানেও উইকেট ভালো ছিল… খুব খারাপ ছিল না কিন্তু আমরা যদি আরেকটু মানিয়ে নিতে পারতাম, তাহলে ভালো করতে পারতাম। একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু আমার মনে হয় এটা অজুহাত হিসেবে দাঁড় করানোর কিছু নেই। যেহেতু আমরা আমাদের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছি জাতীয় দলের হয়ে। আমাদের সেই স্কিল অবশ্যই আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আজকে আমরা করতে পারি নাই।’

এ নিয়ে ঘরের মাঠে টানা তিন সিরিজে তিন ধরনের উইকেটে খেললো বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে স্পিনিং উইকেট, পাকিস্তানের বিপক্ষে স্পোর্টিং আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হলো ধীরগতির উইকেট দিয়ে। এ নিয়ে সাইফ বলেন, ‘আইডিয়া ছিল যে কীরকম হতে পারে। (উইকেট) কিন্তু আজকে কিছুটা একটু বেশি আনইভেন হয়েছে। তবে এই অজুহাত দিয়ে আসলে বাঁচার কোনো উপায় নেই। আমরা ২৫ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ছিলাম। ওই ভুল টাইমে কিছু উইকেট পড়াতে আমরা সেখান থেকে পিছিয়ে গেছি।’

এসকেডি/এমএমআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow