এই একটি ভুলেই খরচ হচ্ছে অতিরিক্ত গ্যাস, সহজ সমাধান জেনে নিন

অনেক পরিবারেই একটি সাধারণ অভিযোগ, বাড়িতে খুব বেশি রান্নাবান্না না হলেও মাস শেষে গ্যাসের বিল অস্বাভাবিকভাবে বেশি আসে। কিন্তু জানেন কী, এই অতিরিক্ত খরচের পেছনে রয়েছে মাত্র একটি ছোট ভুল? আর সেটি হলো গ্যাস বার্নার ঠিকমতো পরিষ্কার না করা। এই অবহেলার কারণে যেমন রান্না হতে সময় বেশি লাগে, তেমনি নীরবে গ্যাসও খরচ হতে থাকে বেশি। কেন নোংরা বার্নারে গ্যাস বেশি লাগে? রান্নাঘরের সবচেয়ে বেশি ময়লা জমে গ্যাস বার্নারে। প্রতিদিন তিনবেলা রান্নার ফলে তেল ও মসলার শক্ত দাগ বার্নারের ওপর এবং ভেতরের ছিদ্রগুলোতে আটকে যায়। এতে ছিদ্র আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ শিখা ঠিকভাবে জ্বলে না, রান্না করতে সময় বেশি লাগে এবং প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি গ্যাস খরচ হয়।অন্যদিকে, নিয়মিত পরিষ্কার করা বার্নারে শিখা নীল ও স্থির থাকে, রান্না দ্রুত হয় এবং গ্যাসের অপচয়ও কমে যায়। গ্যাস বার্নার পরিষ্কার করার সহজ সমাধান পরিষ্কার শুরু করার আগে নিশ্চিত করুন, বার্নার সম্পূর্ণ ঠান্ডা হয়েছে। গরম অবস্থায় পরিষ্কার করতে গেলে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ধাপ-১ : বার্নারের অংশ আলাদা করুন বার্নারের টপ, নবস ও অন্যান্য অংশ সাবধানে খুলে এক

এই একটি ভুলেই খরচ হচ্ছে অতিরিক্ত গ্যাস, সহজ সমাধান জেনে নিন
অনেক পরিবারেই একটি সাধারণ অভিযোগ, বাড়িতে খুব বেশি রান্নাবান্না না হলেও মাস শেষে গ্যাসের বিল অস্বাভাবিকভাবে বেশি আসে। কিন্তু জানেন কী, এই অতিরিক্ত খরচের পেছনে রয়েছে মাত্র একটি ছোট ভুল? আর সেটি হলো গ্যাস বার্নার ঠিকমতো পরিষ্কার না করা। এই অবহেলার কারণে যেমন রান্না হতে সময় বেশি লাগে, তেমনি নীরবে গ্যাসও খরচ হতে থাকে বেশি। কেন নোংরা বার্নারে গ্যাস বেশি লাগে? রান্নাঘরের সবচেয়ে বেশি ময়লা জমে গ্যাস বার্নারে। প্রতিদিন তিনবেলা রান্নার ফলে তেল ও মসলার শক্ত দাগ বার্নারের ওপর এবং ভেতরের ছিদ্রগুলোতে আটকে যায়। এতে ছিদ্র আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ শিখা ঠিকভাবে জ্বলে না, রান্না করতে সময় বেশি লাগে এবং প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি গ্যাস খরচ হয়।অন্যদিকে, নিয়মিত পরিষ্কার করা বার্নারে শিখা নীল ও স্থির থাকে, রান্না দ্রুত হয় এবং গ্যাসের অপচয়ও কমে যায়। গ্যাস বার্নার পরিষ্কার করার সহজ সমাধান পরিষ্কার শুরু করার আগে নিশ্চিত করুন, বার্নার সম্পূর্ণ ঠান্ডা হয়েছে। গরম অবস্থায় পরিষ্কার করতে গেলে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ধাপ-১ : বার্নারের অংশ আলাদা করুন বার্নারের টপ, নবস ও অন্যান্য অংশ সাবধানে খুলে একপাশে রাখুন। অংশগুলো সঠিক ক্রমে রাখলে পরে আবার লাগাতে সুবিধা হবে। ধাপ-২ : শুকনো ব্রাশ দিয়ে ময়লা ঝাড়ুন পুরনো টুথব্রাশ বা শুকনো পরিষ্কার ব্রাশ দিয়ে বার্নারের উপরিভাগ ও ছিদ্র পরিষ্কার করুন। ছোট ছিদ্র পরিষ্কারে টুথপিক বা পিন ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে সতর্ক থাকতে হবে। ধাপ-৩ : গরম পানি ও ডিশওয়াশ লিকুইডে ভিজিয়ে রাখুন একটি বাটিতে গরম পানি নিয়ে তাতে ১-২ চামচ ডিশওয়াশ লিকুইড মেশান। বার্নারের খুলে রাখা অংশগুলো ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর স্ক্রাব বা স্পঞ্জ দিয়ে জমে থাকা তেল ও দাগ পরিষ্কার করুন। শক্ত দাগ তুলতে পুরোনো টুথব্রাশ বেশ কার্যকর। ধাপ-৪ : ভিনেগার ও বেকিং সোডার ব্যবহার জেদি গ্রিস তুলতে বার্নারের ওপর সাদা ভিনেগার ছিটিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর বেকিং সোডা ছিটালে বুদবুদ উঠবে, যা ময়লা আলগা করে দেবে। স্পঞ্জ বা কাপড় দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে গরম জল দিয়ে ধুয়ে নিন। ধাপ-৫ : বার্নারের ছিদ্র ঠিকভাবে পরিষ্কার করুন বার্নারের ছোট ছিদ্রগুলো পরিষ্কার না হলে শিখা সমান হয় না। টুথপিক, পিন বা বার্নার ক্লিনিং ব্রাশ দিয়ে ছিদ্রে জমে থাকা ময়লা সরিয়ে নিন। সবশেষে গরম জল ও ডিশওয়াশ লিকুইডে ভেজানো কাপড় দিয়ে পুরো বার্নার মুছে নিন। শেষ কথা গ্যাস বার্নার পরিষ্কার রাখা শুধু রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতার জন্য নয়, এটি সরাসরি গ্যাসের বিল কমানোর একটি কার্যকর উপায়। সামান্য সময় ও নিয়মিত যত্নেই এই একটি ভুল শুধরে নিলে মাস শেষে অতিরিক্ত খরচ থেকে সহজেই রেহাই পাওয়া সম্ভব। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow