এই ৭ ভুল করছেন? বাতিল হতে পারে আপনার ভোট
নির্বাচনের দিনটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি নাগরিকের অধিকার, দায়িত্ব এবং গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলনের দিন। ভোর থেকেই মানুষ ভোটকেন্দ্রে ছুটে যান নিজের প্রতিনিধি বেছে নিতে। কিন্তু অনেক সময় না জানার কারণে বা সামান্য অসাবধানতায় একটি মূল্যবান ভোটই বাতিল হয়ে যেতে পারে। একটি ভুল সিল, ব্যালট ভাঁজে অসতর্কতা কিংবা ব্যালটে অপ্রয়োজনীয় কোনো চিহ্ন—এমন ছোট ছোট ভুলই ভোট গণনার সময় আপনার ভোটকে অকার্যকর করে দিতে পারে। তাই ভোট দিতে যাওয়ার আগে কিছু সাধারণ নিয়ম জেনে রাখা জরুরি। এতে যেমন নিজের ভোট সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তেমনি অজান্তেই ভোট বাতিল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কমে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন ভুলগুলো করলে আপনার ভোট বাতিল হতে পারে— ১. সিল ব্যালট পেপারের একপাশে থাকবে প্রার্থীর নাম এবং অন্য পাশে থাকবে প্রতীক বা মার্কা। সিল দিতে হবে নির্ধারিত স্থানের মধ্যে প্রতীকের উপর। সিল যদি নির্ধারিত স্থানের বাইরে চলে যায়, তাহলে ভোট গণনার সময় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এর ফলে আপনার ভোটটি বাতিল হয়ে যেতে পারে। ২. একাধিক সিল কখনো বিভ্রান্তি বা ভুলবশত একাধিক প্রার্থীর মার্কায় সিল দিয়ে ফেললে সেই ব্যালট গ্রহণয
নির্বাচনের দিনটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি নাগরিকের অধিকার, দায়িত্ব এবং গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলনের দিন। ভোর থেকেই মানুষ ভোটকেন্দ্রে ছুটে যান নিজের প্রতিনিধি বেছে নিতে। কিন্তু অনেক সময় না জানার কারণে বা সামান্য অসাবধানতায় একটি মূল্যবান ভোটই বাতিল হয়ে যেতে পারে। একটি ভুল সিল, ব্যালট ভাঁজে অসতর্কতা কিংবা ব্যালটে অপ্রয়োজনীয় কোনো চিহ্ন—এমন ছোট ছোট ভুলই ভোট গণনার সময় আপনার ভোটকে অকার্যকর করে দিতে পারে।
তাই ভোট দিতে যাওয়ার আগে কিছু সাধারণ নিয়ম জেনে রাখা জরুরি। এতে যেমন নিজের ভোট সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তেমনি অজান্তেই ভোট বাতিল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কমে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন ভুলগুলো করলে আপনার ভোট বাতিল হতে পারে—
১. সিল
ব্যালট পেপারের একপাশে থাকবে প্রার্থীর নাম এবং অন্য পাশে থাকবে প্রতীক বা মার্কা। সিল দিতে হবে নির্ধারিত স্থানের মধ্যে প্রতীকের উপর। সিল যদি নির্ধারিত স্থানের বাইরে চলে যায়, তাহলে ভোট গণনার সময় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এর ফলে আপনার ভোটটি বাতিল হয়ে যেতে পারে।
২. একাধিক সিল
কখনো বিভ্রান্তি বা ভুলবশত একাধিক প্রার্থীর মার্কায় সিল দিয়ে ফেললে সেই ব্যালট গ্রহণযোগ্য থাকে না। তাই গোপন কক্ষে যাওয়ার আগেই ঠিক করে নিন কাকে ভোট দেবেন।
৩. ব্যালট ভাঁজ
সিল দেওয়ার পরে ব্যালট পেপার ভাঁজ করতে হয় নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে। সাধারণভাবে প্রথমে কাগজটি লম্বালম্বি ভাঁজ দিতে হয়, তারপর ওপর দিকে ভাঁজ করতে হয়। তা না করলে সিলের কালি পাশের মার্কায় লেগে যেতে পারে। তখন একাধিক প্রতীকের ওপর দাগ দেখা গেলে ভোটটি বাতিল হতে পারে।
৪. ভোটারকে চেনার উপায় ব্যালটে থাকা
ব্যালট পেপারে কলম বা পেনসিল দিয়ে কোনো চিহ্ন, টিক বা স্বাক্ষর দিলে সেটি বাতিল বলে গণ্য হয়। কেবল নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত সিল ব্যবহার করে নির্ধারিত স্থানের মধ্যে সিল দিলেই ভোটটি বৈধ থাকবে।
৫. ব্যালট পেপারের ক্ষতি
ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট পেপার ছিঁড়ে গেলে সেই ভোট বাতিল হয়ে যায়। তাই ব্যালট নেওয়া থেকে বাক্সে ফেলা পর্যন্ত কাগজটি সতর্কভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন।
৬. ব্যালটে লেখালেখি
অনেকে ক্ষোভ, প্রতিবাদ বা মজা করে ব্যালটে কিছু লিখে ফেলেন—কোনো দাবি, স্লোগান বা মন্তব্য। এমন কিছু লিখলে ব্যালটটি আর গ্রহণযোগ্য থাকে না।
৭. ব্যক্তির পরিচিতি প্রকাশ
ব্যালটে এমন কোনো চিহ্ন, সংকেত বা লেখা দেওয়া যাবে না, যা দেখে ভোটারকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এমন কিছু থাকলে ভোট বাতিল বলে বিবেচিত হয়।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভোট দেওয়া শুধু অধিকার নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও। সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে চাইলে ভোট দেওয়ার নিয়মগুলো জানা এবং মেনে চলা জরুরি। সচেতন ভোটারই পারে তার ভোটের মূল্য নিশ্চিত করতে এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে।
সূত্র : নির্বাচন কমিশন
What's Your Reaction?