একই আর্টিস্ট ও কম বাজেটে সিনেমা হবে না : অনন্ত জলিল

একই আর্টিস্ট ও কলাকুশলী আর কম বাজেট দিয়ে সিনেমা হবে না—এমন মন্তব্য করে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিলেন প্রযোজক ও অভিনেতা অনন্ত জলিল। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অনন্ত জলিল বলেন, দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে হলে পুরোনো ধ্যানধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তার মতে, বারবার একই মুখ ও একই কলাকুশলী নিয়ে কম বাজেটে সিনেমা বানালে দর্শককে হলে ফেরানো সম্ভব নয়। অনন্ত জলিলের ভাষায়, ‘একই আর্টিস্ট, একই কলাকুশলী আর কম বাজেট দিয়ে আর সিনেমা হবে না। দর্শক এখন অনেক সচেতন। তারা মানসম্মত কনটেন্ট চায়, ভালো ভিজ্যুয়াল চায়।’ তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিকমানের সিনেমা নির্মাণ করতে হলে বাজেট, প্রযুক্তি ও পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তন আনতে হবে। হলিউড ও অন্যান্য দেশের সিনেমার সঙ্গে তুলনা করে তিনি জানান, দর্শক এখন বৈশ্বিক কনটেন্ট দেখছে, ফলে দেশীয় সিনেমার মান নিয়েও তাদের প্রত্যাশা বেড়েছে। এই মন্তব্যের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা। কেউ কেউ অনন্ত জলিলের বক্তব্যকে বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী বলে মনে করছেন, আবার কেউ বলছেন—নতুন মুখের সুযোগ ও গল্পের শক্তিই হওয়া উচিত সিনেমার মূল ভিত্তি। উল্লেখ্য, অনন্ত

একই আর্টিস্ট ও কম বাজেটে সিনেমা হবে না : অনন্ত জলিল

একই আর্টিস্ট ও কলাকুশলী আর কম বাজেট দিয়ে সিনেমা হবে না—এমন মন্তব্য করে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিলেন প্রযোজক ও অভিনেতা অনন্ত জলিল।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অনন্ত জলিল বলেন, দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে হলে পুরোনো ধ্যানধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তার মতে, বারবার একই মুখ ও একই কলাকুশলী নিয়ে কম বাজেটে সিনেমা বানালে দর্শককে হলে ফেরানো সম্ভব নয়।

অনন্ত জলিলের ভাষায়, ‘একই আর্টিস্ট, একই কলাকুশলী আর কম বাজেট দিয়ে আর সিনেমা হবে না। দর্শক এখন অনেক সচেতন। তারা মানসম্মত কনটেন্ট চায়, ভালো ভিজ্যুয়াল চায়।’

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিকমানের সিনেমা নির্মাণ করতে হলে বাজেট, প্রযুক্তি ও পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তন আনতে হবে। হলিউড ও অন্যান্য দেশের সিনেমার সঙ্গে তুলনা করে তিনি জানান, দর্শক এখন বৈশ্বিক কনটেন্ট দেখছে, ফলে দেশীয় সিনেমার মান নিয়েও তাদের প্রত্যাশা বেড়েছে।

এই মন্তব্যের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা। কেউ কেউ অনন্ত জলিলের বক্তব্যকে বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী বলে মনে করছেন, আবার কেউ বলছেন—নতুন মুখের সুযোগ ও গল্পের শক্তিই হওয়া উচিত সিনেমার মূল ভিত্তি।

উল্লেখ্য, অনন্ত জলিল নিজেও একাধিক বড় বাজেটের সিনেমা প্রযোজনা ও অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার সিনেমাগুলো ভিজ্যুয়াল, অ্যাকশন ও বড় আয়োজনের কারণে বরাবরই আলাদা করে নজর কেড়েছে।

সব মিলিয়ে, অনন্ত জলিলের এই মন্তব্য আবারও সামনে নিয়ে এলো দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের বাজেট, কনটেন্ট ও নির্মাণ কাঠামো নিয়ে চলমান বিতর্ক। প্রশ্ন একটাই—বাংলা সিনেমা কোন পথে হাঁটবে, বড় বাজেটের প্রদর্শনী নাকি শক্ত গল্পের নতুন ধারা?

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow