একজন মাদকাসক্তও চায় তার সন্তান ভালো সমাজে বেড়ে উঠুক: হাসনাত
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, একজন ব্যক্তি নিজে অপরাধে জড়িত থাকলেও তিনি চান না তার সন্তান অপরাধী হোক। যে লোকটা মাদকের সঙ্গে জড়িত, তিনিও চান তার সন্তান একটি সুস্থ সমাজে বেড়ে উঠুক। এমনকি একজন চাঁদাবাজও মনে মনে চান তার সন্তান যেন চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশে বড় হয়। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর, মধ্যনগর, পদুয়া ও সীমারগুড়ি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত বিভিন্ন উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিগত দিনে দেবীদ্বারকে অনেকে নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করেছেন। তারা দেবীদ্বারকে টাকার মেশিন মনে করে চুষে খেয়েছেন। কর্মীদের দিয়ে খারাপ কাজ করিয়ে সেই টাকার ভাগ নিয়েছেন। আগামী ১২ তারিখ তাদের এই অপরাজনীতি ও চাঁদাবাজির পথ সারা জীবনের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে। সাধারণ মানুষকে যারা দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে, তাদের চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করে জনগণের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। নিজের সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীরা আমার কোনো দোষ খুঁজে পাচ্ছে না, কারণ
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, একজন ব্যক্তি নিজে অপরাধে জড়িত থাকলেও তিনি চান না তার সন্তান অপরাধী হোক। যে লোকটা মাদকের সঙ্গে জড়িত, তিনিও চান তার সন্তান একটি সুস্থ সমাজে বেড়ে উঠুক। এমনকি একজন চাঁদাবাজও মনে মনে চান তার সন্তান যেন চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশে বড় হয়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর, মধ্যনগর, পদুয়া ও সীমারগুড়ি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত বিভিন্ন উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিগত দিনে দেবীদ্বারকে অনেকে নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করেছেন। তারা দেবীদ্বারকে টাকার মেশিন মনে করে চুষে খেয়েছেন। কর্মীদের দিয়ে খারাপ কাজ করিয়ে সেই টাকার ভাগ নিয়েছেন। আগামী ১২ তারিখ তাদের এই অপরাজনীতি ও চাঁদাবাজির পথ সারা জীবনের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে। সাধারণ মানুষকে যারা দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে, তাদের চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করে জনগণের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
নিজের সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীরা আমার কোনো দোষ খুঁজে পাচ্ছে না, কারণ আমার সঙ্গে কোনো চাঁদাবাজ বা ধান্দাবাজ নেই। আমি সাধারণ মানুষের ওপর নির্ভর করছি। এখন তারা বলছেন, হাসনাত একবার নির্বাচিত হলে নাকি ২০ বছরেও তাকে সরানো যাবে না। এটাকে তারা দোষ হিসেবে প্রচার করছেন। কিন্তু মানুষ যদি ভালোবাসা দিয়ে আমাদের রাখতে চায়, তবে সেখানে অন্য শক্তির কী করার আছে? একজন অযোগ্য ব্যক্তিকে সমর্থন না দিয়ে যোগ্যকে বেছে নেওয়ার সময় এসেছে।
জনগণকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আল্লাহ যাকে পছন্দ করেন এবং জনগণ যাকে চায়, দুনিয়ার কোনো শক্তি তাকে আটকাতে পারবে না। ভোটের মাঠে যে জোয়ার উঠেছে, তা রুখে দেওয়ার ক্ষমতা কারো নেই।
উক্ত নির্বাচনী বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা (উত্তর) জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম সহিদ, উপজেলা আমির অধ্যাপক মো. সহিদুল ইসলাম, এনসিপির উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাফেজ মোফাজ্জল হোসাইনসহ স্থানীয় নেতারা।
What's Your Reaction?