একদিনে ৪ শতাংশের বেশি কমল তেলের দাম, কারণ কী?
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমতে পারে—এমন ইঙ্গিতের পর সোমবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একদিনে ৪ শতাংশের বেশি কমেছে। ইরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে আলোচনা করছে—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ মন্তব্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়। ফলে কমে জ্বালানি তেলের দাম। লন্ডনের বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২.৮১ ডলার বা ৪.১ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৬৬.৫১ ডলারে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২.৭০ ডলার বা ৪.১ শতাংশ কমে ৬২.৫১ ডলারে নেমে আসে। এর আগের লেনদেনে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে ব্রেন্ট ছয় মাসের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছায় এবং ডব্লিউটিআই সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল। তবে সপ্তাহ শেষে ট্রাম্পের মন্তব্য এবং ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানির আলোচনার প্রস্তুতির ঘোষণায় পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নৌবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সরাসরি সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা না করার খবরও বাজারে চাপ কমিয়েছে। এতে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির প্রভাব হ্রাস পেয়ে বিনিয়োগকারীরা মু
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমতে পারে—এমন ইঙ্গিতের পর সোমবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একদিনে ৪ শতাংশের বেশি কমেছে। ইরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে আলোচনা করছে—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ মন্তব্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়। ফলে কমে জ্বালানি তেলের দাম।
লন্ডনের বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২.৮১ ডলার বা ৪.১ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৬৬.৫১ ডলারে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২.৭০ ডলার বা ৪.১ শতাংশ কমে ৬২.৫১ ডলারে নেমে আসে।
এর আগের লেনদেনে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে ব্রেন্ট ছয় মাসের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছায় এবং ডব্লিউটিআই সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল। তবে সপ্তাহ শেষে ট্রাম্পের মন্তব্য এবং ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানির আলোচনার প্রস্তুতির ঘোষণায় পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নৌবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সরাসরি সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা না করার খবরও বাজারে চাপ কমিয়েছে। এতে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির প্রভাব হ্রাস পেয়ে বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিতে শুরু করেছেন।
এদিকে ওপেক প্লাস জোট মার্চ মাসে তেল উৎপাদন অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দুর্বল মৌসুমি চাহিদার কারণে তারা চলতি জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনাও স্থগিত রেখেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাময়িক ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি থাকলেও তেলের বাজারে সরবরাহ যথেষ্ট থাকায় দীর্ঘমেয়াদে দামের ওপর চাপ থাকতে পারে। সূত্র : রয়টার্স
What's Your Reaction?