একসঙ্গে জন্মানো ৩ সন্তানের খাবার জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন বাবা

পটুয়াখালীর গলাচিপায় মো. রাসেল মোল্লা ও তার স্ত্রী মোসা. শারমীনের পরিবারে এক বিরল আনন্দের ঘটনা ঘটেছে। গত ২ মার্চ তাদের ঘর আলো করে একসঙ্গে জন্ম নেয় ৩টি নবজাতক সন্তান। নবজাতকদের নাম রাখা হয়েছে হাসান, হোসেন ও মিম। তবে আনন্দের এই মুহূর্তের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন বাস্তবতার লড়াই। সীমিত আয়ের এই পরিবারটি বর্তমানে তিন নবজাতকের খাদ্য, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন পরিচর্যার ব্যয় বহন করতে গিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এর আগে রাসেল-শারমীন দম্পতির রাইসা মনি নামে পাঁচ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তিন নবজাতকের জন্মের পর পরিবারে মোট সন্তানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারজনে— দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। শিশুদের বাবা মো. রাসেল মোল্লা একজন অটোচালক। প্রতিদিনের আয়ের ওপর নির্ভর করেই চলে তার সংসার। কিন্তু একসঙ্গে তিন শিশুর জন্মের পর ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। রাসেল মোল্লা বলেন, আমি অটো চালিয়ে যা আয় করি, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। কিন্তু এই তিনটি বাচ্চার খরচ চালানো আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ থাকে না বললেই চলে। ফলে প্রতিদিন অটো চার্জ দিতে পারি না। যে দিন অটো চালাতে পা

একসঙ্গে জন্মানো ৩ সন্তানের খাবার জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন বাবা
পটুয়াখালীর গলাচিপায় মো. রাসেল মোল্লা ও তার স্ত্রী মোসা. শারমীনের পরিবারে এক বিরল আনন্দের ঘটনা ঘটেছে। গত ২ মার্চ তাদের ঘর আলো করে একসঙ্গে জন্ম নেয় ৩টি নবজাতক সন্তান। নবজাতকদের নাম রাখা হয়েছে হাসান, হোসেন ও মিম। তবে আনন্দের এই মুহূর্তের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কঠিন বাস্তবতার লড়াই। সীমিত আয়ের এই পরিবারটি বর্তমানে তিন নবজাতকের খাদ্য, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন পরিচর্যার ব্যয় বহন করতে গিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এর আগে রাসেল-শারমীন দম্পতির রাইসা মনি নামে পাঁচ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তিন নবজাতকের জন্মের পর পরিবারে মোট সন্তানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারজনে— দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। শিশুদের বাবা মো. রাসেল মোল্লা একজন অটোচালক। প্রতিদিনের আয়ের ওপর নির্ভর করেই চলে তার সংসার। কিন্তু একসঙ্গে তিন শিশুর জন্মের পর ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। রাসেল মোল্লা বলেন, আমি অটো চালিয়ে যা আয় করি, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। কিন্তু এই তিনটি বাচ্চার খরচ চালানো আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ থাকে না বললেই চলে। ফলে প্রতিদিন অটো চার্জ দিতে পারি না। যে দিন অটো চালাতে পারি না, সে দিন কোনো আয়ও হয় না। এখন শিশুদের দুধ ও চিকিৎসার খরচ বহন করা আমার জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নবজাতকদের জন্য প্রতিদিন ল্যাকটোজেন-১ দুধ প্রয়োজন হয়। একটি দুধের মূল্য প্রায় ৮৫০ টাকা। ফলে মাসে শুধু দুধের পেছনেই প্রায় ৩০ হাজার টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে, যা তার মতো একজন নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে বহন করা প্রায় অসম্ভব। এদিকে শিশু ৩টির সুস্থ বৃদ্ধি ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পরিবারটি সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করেছে। স্থানীয়রা জানান, অসহায় এই পরিবারটির পাশে সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে তিনটি নবজাতকের জীবনযাত্রা সহজ হবে এবং পরিবারটি নতুন করে আশার আলো দেখতে পাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow