‘একাত্তরের পরাজিত শক্তি ২৪ কে সামনে এনে মুক্তিযুদ্ধকে ম্লান করে দিতে চাচ্ছে’
গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তি ২৪ কে সামনে এনে মহান মুক্তিযুদ্ধকে ম্লান করে দিতে চাচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টুঙ্গিপাড়ায় গোপালপুর এলাকার নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে এ কথা বলেন তিনি।
এসএম জিলানী বলেন, ২৪ সালে এ দেশের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-জনতা সম্মিলিতভাবে যে গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত করেছিল, একটি গোষ্ঠী সেই গণঅভ্যুত্থানের একক দাবিদার হিসেবে নিজেদের জাহির করছে। একাত্তরের পরাজিত শক্তি ২৪ কে সামনের দিকে এনে মহান মুক্তিযুদ্ধকে ম্লান করে দিতে চাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তখন বাংলাদেশ দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। স্বাধীনতাবিরোধী ও একাত্তরের পরাজিত শক্তি তারা নতুন করে বাংলাদেশে জাল বিস্তার করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করার মধ্য দিয়ে ক্ষমতার মসনদে বসতে চাচ্ছে। তারা ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত ও ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা অর্জন হয়েছিল, সেই স্বাধীনতাকে তারা ধ্বংস করে দেওয়ার পাঁয়
গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তি ২৪ কে সামনে এনে মহান মুক্তিযুদ্ধকে ম্লান করে দিতে চাচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টুঙ্গিপাড়ায় গোপালপুর এলাকার নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে এ কথা বলেন তিনি।
এসএম জিলানী বলেন, ২৪ সালে এ দেশের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-জনতা সম্মিলিতভাবে যে গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত করেছিল, একটি গোষ্ঠী সেই গণঅভ্যুত্থানের একক দাবিদার হিসেবে নিজেদের জাহির করছে। একাত্তরের পরাজিত শক্তি ২৪ কে সামনের দিকে এনে মহান মুক্তিযুদ্ধকে ম্লান করে দিতে চাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তখন বাংলাদেশ দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। স্বাধীনতাবিরোধী ও একাত্তরের পরাজিত শক্তি তারা নতুন করে বাংলাদেশে জাল বিস্তার করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করার মধ্য দিয়ে ক্ষমতার মসনদে বসতে চাচ্ছে। তারা ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত ও ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা অর্জন হয়েছিল, সেই স্বাধীনতাকে তারা ধ্বংস করে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। আজ আপনাদের বুঝতে হবে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি ও মুক্তিযোদ্ধাদের দল কারা। তাদের পক্ষে আপনাদের থাকতে হবে।
স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বলেন, আমি ১৭ বছর এখানে ছিলাম। ২০০৮ ও ১৮ সালে দুবার নির্বাচন করেছি। ২০১৪ ও ২৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি বিএনপি। সঙ্গত কারণে জাতীয়তাবাদের সদস্য হিসেবে আমিও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিনি। দলের নির্দেশনা পালন করেছি। তাই আপনারা (জনগণ) ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন।
নির্বাচনী জনসভায় গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জীবেশ বাড়ৈর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবলু, পৌর বিএনপির সভাপতি এমদাদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক শেখ জিহাদুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল সরকার, যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।