এক বাড়িতে মিলল আড়াই হাজার এলপিজি সিলিন্ডার
এলপি গ্যাসের মাত্র ৪০টি সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও নিজ বাড়িতে প্রায় আড়াই হাজার সিলিন্ডার মজুদ করেছিলেন ডিলার। লক্ষ্য ছিল কৃত্তিম সংকট দেখিয়ে খুচরা বাজারে চড়া দামে বিক্রির।
কিন্তু সেই অসৎ পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই)। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আড়াই হাজার গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার বাড়িতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
পরে মজুতের ঘটনায় জড়িত শামসুল আলম শিমু নামে একজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাৎক্ষণিক জরিমানা পরিশোধ করায় মুক্তি পান তিনি।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী শামসুল আলম শিমুল বানারীপাড়া পৌর এলাকার বন্দর বাজারের এলপিজি ডিলার এবং ফেরিঘাট সংলগ্ন বৈশাখী প্লাস নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাইজিদুর রহমান জানিয়েছেন, বরিশাল জেলা এনএসআই গোপন পর্যবেক্ষণে জানতে পারে—ডিলার শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি সিলিন্ড
এলপি গ্যাসের মাত্র ৪০টি সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও নিজ বাড়িতে প্রায় আড়াই হাজার সিলিন্ডার মজুদ করেছিলেন ডিলার। লক্ষ্য ছিল কৃত্তিম সংকট দেখিয়ে খুচরা বাজারে চড়া দামে বিক্রির।
কিন্তু সেই অসৎ পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই)। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আড়াই হাজার গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার বাড়িতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
পরে মজুতের ঘটনায় জড়িত শামসুল আলম শিমু নামে একজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাৎক্ষণিক জরিমানা পরিশোধ করায় মুক্তি পান তিনি।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী শামসুল আলম শিমুল বানারীপাড়া পৌর এলাকার বন্দর বাজারের এলপিজি ডিলার এবং ফেরিঘাট সংলগ্ন বৈশাখী প্লাস নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাইজিদুর রহমান জানিয়েছেন, বরিশাল জেলা এনএসআই গোপন পর্যবেক্ষণে জানতে পারে—ডিলার শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি সিলিন্ডার মজুদের অনুমতিপত্র থাকলেও প্রায় আড়াই হাজার গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে মজুদ রেখেছেন। এগুলো উপজেলার বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন নিজের বৈশাখী প্লাস নামক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকেও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করছেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ও এনএসআই যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে শামসুল আলমের বাড়িতে মজুদ করা বিভিন্ন কোম্পানির আড়াই হাজার গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার খুঁজে পায়। অভিযানে সহায়তা করে স্থানীয় থানা পুলিশ।
ইউএনও জানান, পরে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির অপরাধে গ্যাসের ডিলার মো. শামসুল আলম শিমুলকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের পৃথক ধারায় এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে জরিমানার টাকা পরিশোধ করলে এক হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে ডিলার শিমুলকে মুক্তি দেওয়া হয়।