এপেস্টাইন কেলেঙ্কারি, দল ছাড়লেন সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী

যুক্তরাজ্যের সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও প্রভাবশালী লেবার নেতা পিটার ম্যান্ডেলসন দল থেকে থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। জেফ্রি এপস্টাইনের সঙ্গে সম্পর্ক সংক্রান্ত নতুন তথ্য প্রকাশের পর  তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন।  সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ গণমাধ্যমের বরাতে আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলের জন্য আরও বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি এড়াতেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত বছর এপস্টাইনের সঙ্গে তার যোগাযোগ সংক্রান্ত ই-মেইল প্রকাশ পাওয়ার পর ম্যান্ডেলসনকে ওয়াশিংটনে যুক্তরাজ্যের শীর্ষ কূটনৈতিক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, লেবার পার্টিতে পাঠানো এক চিঠিতে ম্যান্ডেলসন লেখেন, এই সপ্তাহান্তে জেফ্রি এপস্টাইনকে ঘিরে যে যৌক্তিক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে আবারও আমার নাম জড়িয়েছে। এ জন্য আমি দুঃখিত ও অনুতপ্ত। তিনি দাবি করেন, ২০০০-এর দশকের শুরুতে এপস্টাইনের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের যে অভিযোগ উঠেছে, তা তিনি বিশ্বাস করেন না। তবে বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এর আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যান্ডেলসন বলেন,

এপেস্টাইন কেলেঙ্কারি, দল ছাড়লেন সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী
যুক্তরাজ্যের সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও প্রভাবশালী লেবার নেতা পিটার ম্যান্ডেলসন দল থেকে থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। জেফ্রি এপস্টাইনের সঙ্গে সম্পর্ক সংক্রান্ত নতুন তথ্য প্রকাশের পর  তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন।  সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ গণমাধ্যমের বরাতে আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলের জন্য আরও বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি এড়াতেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত বছর এপস্টাইনের সঙ্গে তার যোগাযোগ সংক্রান্ত ই-মেইল প্রকাশ পাওয়ার পর ম্যান্ডেলসনকে ওয়াশিংটনে যুক্তরাজ্যের শীর্ষ কূটনৈতিক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, লেবার পার্টিতে পাঠানো এক চিঠিতে ম্যান্ডেলসন লেখেন, এই সপ্তাহান্তে জেফ্রি এপস্টাইনকে ঘিরে যে যৌক্তিক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে আবারও আমার নাম জড়িয়েছে। এ জন্য আমি দুঃখিত ও অনুতপ্ত। তিনি দাবি করেন, ২০০০-এর দশকের শুরুতে এপস্টাইনের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের যে অভিযোগ উঠেছে, তা তিনি বিশ্বাস করেন না। তবে বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এর আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যান্ডেলসন বলেন, ওই অর্থপ্রদানের কোনো স্মৃতি তার নেই এবং নথিগুলোর সত্যতা নিয়েও তিনি নিশ্চিত নন। একই সঙ্গে তিনি এপস্টাইনের সঙ্গে কখনো পরিচিত হওয়ার জন্যও দুঃখ প্রকাশ করেন। চিঠিতে তিনি আরও লেখেন, এই বিষয়টি খতিয়ে দেখার সময় আমি লেবার পার্টিকে আর বিব্রত করতে চাই না। সে কারণেই দলের সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি এপস্টাইনের দ্বারা নির্যাতিত নারী ও কিশোরীদের উদ্দেশে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, অনেক আগেই তাদের কণ্ঠস্বর শোনা উচিত ছিল। দীর্ঘদিন ধরে লেবার পার্টির আদর্শ ও সাফল্যের জন্য কাজ করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত দলের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে। ম্যান্ডেলসনের পদত্যাগের আগে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ও বিবিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে) প্রকাশিত তদন্ত নথিতে দেখা গেছে, ২০০৩ ও ২০০৪ সালে ম্যান্ডেলসন ও তার সঙ্গী এপস্টাইনের কাছ থেকে মোট ৭৫ হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে। নথিগুলো শুক্রবার প্রকাশ করা হয়েছে। সেসব নথিতে আরও একটি ছবির উল্লেখ রয়েছে, যেখানে অন্তর্বাস পরা অবস্থায় এক নারীর পাশে ম্যান্ডেলসনকে দেখা যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ ওই নারীর মুখ ঝাপসা করে রেখেছে। এ বিষয়ে ম্যান্ডেলসন বিবিসিকে বলেন, তিনি ছবিটির স্থান, নারীটি কে বা কী পরিস্থিতিতে ছবিটি তোলা হয়েছিল তার কিছুই মনে করতে পারছেন না।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow