এবারের বিশ্বকাপে গোলের বন্যা, বাড়ছে কার্ডের ঝড়ও

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এখন নকআউট পর্বের উত্তেজনায় টগবগ করছে। কোয়ার্টার ফাইনাল শুরুর আগে পর্যন্ত টুর্নামেন্টে গোলের বন্যার পাশাপাশি বেড়েছে হলুদ ও লাল কার্ডের সংখ্যাও।  ২০২৬ বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত মোট ২১৯টি গোল হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে যার সংখ্যা ছিল ১৪৯টি এবং ২০১৮ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে মোট গোল হয়েছিল ১৪৬টি। অর্থাৎ, ২০২৬ বিশ্বকাপে একই পর্যায়ে ২০২২ সালের তুলনায় ৭০টি ও ২০১৮ সালের তুলনায় ৭৩টি বেশি গোল হয়েছে।  এদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপে লাল ও হলুদ কার্ডের সংখ্যা ইতোমধ্যেই ২০২২ ও ২০১৮ বিশ্বকাপের মোট লাল কার্ডের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই আসরে এ পর্যন্ত রেফারিরা দেখিয়েছেন ৩৩৫টিরও বেশি হলুদ কার্ড এবং ১৩টি লাল কার্ড। অন্যদিকে ২০২২ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের আগ পর্যন্ত রেফারিরা হলুদ কার্ড দেখিয়ে ছিলেন ১৮৩টি ও লাল কার্ড দেখিয়ে ছিলেন মাত্র ৩ টি। এছাড়া ২০১৮ রাশিয়া ফিফা বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল শুরুর আগে রেফারিরা হলুদ কার্ড দেখিয়ে ছিলেন ১৮৯টি এবং লাল কার্ড দেখিয়ে ছিলেন মাত্র ৪টি। ২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত নি

এবারের বিশ্বকাপে গোলের বন্যা, বাড়ছে কার্ডের ঝড়ও
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এখন নকআউট পর্বের উত্তেজনায় টগবগ করছে। কোয়ার্টার ফাইনাল শুরুর আগে পর্যন্ত টুর্নামেন্টে গোলের বন্যার পাশাপাশি বেড়েছে হলুদ ও লাল কার্ডের সংখ্যাও।  ২০২৬ বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত মোট ২১৯টি গোল হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে যার সংখ্যা ছিল ১৪৯টি এবং ২০১৮ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে মোট গোল হয়েছিল ১৪৬টি। অর্থাৎ, ২০২৬ বিশ্বকাপে একই পর্যায়ে ২০২২ সালের তুলনায় ৭০টি ও ২০১৮ সালের তুলনায় ৭৩টি বেশি গোল হয়েছে।  এদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপে লাল ও হলুদ কার্ডের সংখ্যা ইতোমধ্যেই ২০২২ ও ২০১৮ বিশ্বকাপের মোট লাল কার্ডের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই আসরে এ পর্যন্ত রেফারিরা দেখিয়েছেন ৩৩৫টিরও বেশি হলুদ কার্ড এবং ১৩টি লাল কার্ড। অন্যদিকে ২০২২ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের আগ পর্যন্ত রেফারিরা হলুদ কার্ড দেখিয়ে ছিলেন ১৮৩টি ও লাল কার্ড দেখিয়ে ছিলেন মাত্র ৩ টি। এছাড়া ২০১৮ রাশিয়া ফিফা বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল শুরুর আগে রেফারিরা হলুদ কার্ড দেখিয়ে ছিলেন ১৮৯টি এবং লাল কার্ড দেখিয়ে ছিলেন মাত্র ৪টি। ২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে লাল কার্ড দেখা খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বা জোয়ানে, মেক্সিকোর সিজার মন্তেস, কাতারের হোমাম আহমেদ এবং ইংল্যান্ডের জ্যারেল কোয়ানসাহ। এছাড়া আরও নয়জন খেলোয়াড় বিভিন্ন ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছেন। তবে টুর্নামেন্টজুড়ে মোট ফাউল, অফসাইড এবং ইনজুরিতে পড়া খেলোয়াড়ের সম্মিলিত সরকারি পরিসংখ্যান এখনো প্রকাশ করেনি ফিফা। এসব তথ্য ম্যাচভিত্তিকভাবে প্রকাশিত হলেও সামগ্রিক হিসাব প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে, এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের দীর্ঘতম ম্যাচগুলোর একটি ছিল রাউন্ড অব ১৬-এ সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়ার মুখোমুখি লড়াই। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোলের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও গোলশূন্য থাকার পর টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হয় ম্যাচটির ভাগ্য। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল শুরু হওয়ার আগে পরিসংখ্যান বলছে, আক্রমণাত্মক ফুটবলের পাশাপাশি মাঠে শৃঙ্খলা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জও বেড়েছে। গোলের পাশাপাশি কার্ডের সংখ্যাও সেই চিত্রই তুলে ধরছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow