এবার আইরিশদের তাণ্ডব দেখল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

আরও একবার সুযোগ পেয়েও টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা হলো না লোরকান টাকারের। তবে টাকার আফসোস নিয়ে মাঠ ছাড়লেও আয়ারল্যান্ড জিতেছে দাপট দেখিয়েই। ওমানকে ৯৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটা তাদের প্রথম জয়। এই সংস্করণে রানের হিসেবে এটা আয়ারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জয়। ওমানের বোলারদের বিপক্ষে রীতিমতো তাণ্ডবই চালিয়েছে আইরিশ ব্যাটাররা। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান করে আয়ারল্যান্ড। এই সংস্করণে এটা আইরিশদের সর্বোচ্চ পুঁজি। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এখন পর্যন্ত এটা দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ভারত-অস্ট্রেলিয়‍া কিংবা নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা যা করে দেখাতে পারেনি এবার তাই উপহার দিল আইরিশ ব্যাটাররা।  আয়ারল্যান্ডকে এই সংগ্রহ এনে দিতে সবচেয়ে বড় অবদান টাকারের। ৫১ বলে ৯৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১০ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো তাঁর ১৮৪ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি। এর আগেও একবার ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন টাকার; ২০২৩ সালের জুলাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাচাইপর্বের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে। কাকতালীয়ভাবে স

এবার আইরিশদের তাণ্ডব দেখল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
আরও একবার সুযোগ পেয়েও টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা হলো না লোরকান টাকারের। তবে টাকার আফসোস নিয়ে মাঠ ছাড়লেও আয়ারল্যান্ড জিতেছে দাপট দেখিয়েই। ওমানকে ৯৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটা তাদের প্রথম জয়। এই সংস্করণে রানের হিসেবে এটা আয়ারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জয়। ওমানের বোলারদের বিপক্ষে রীতিমতো তাণ্ডবই চালিয়েছে আইরিশ ব্যাটাররা। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান করে আয়ারল্যান্ড। এই সংস্করণে এটা আইরিশদের সর্বোচ্চ পুঁজি। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এখন পর্যন্ত এটা দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ভারত-অস্ট্রেলিয়‍া কিংবা নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা যা করে দেখাতে পারেনি এবার তাই উপহার দিল আইরিশ ব্যাটাররা।  আয়ারল্যান্ডকে এই সংগ্রহ এনে দিতে সবচেয়ে বড় অবদান টাকারের। ৫১ বলে ৯৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১০ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো তাঁর ১৮৪ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি। এর আগেও একবার ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন টাকার; ২০২৩ সালের জুলাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাচাইপর্বের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে। কাকতালীয়ভাবে সেবারও ৫১ বল খেলেছিলেন তিনি। সেবারের মতো আরও একদফা সেঞ্চুরির অপেক্ষা বাড়ল টাকারের। আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৩০ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন গ্যারেথ ডেলানি। ৩৮৮ স্ট্রাইকরেটে ৩৫ রান এনে দেন জর্জ ডকরেল। তাঁর ৯ বলের ইনিংসটি সাজানো ৫ ছক্কায়। ওমানের হয়ে ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন শাকিল আহমেদ। জবাব দিতে নেমে ১৮ ওভারে ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় ওমান। তৃতীয় উইকেটে ৭৩ রান যোগ করেন আমির কলিম ও হাম্মাদ মির্জা। বাকি সময় যাতায়াতের মিছিলে সামিল ছিল ওমানের ব্যাটাররা। ব্যারি ম্যাকার্থির বলে ম্যাথু হামফ্রিসের হাতে ধরার পড়ার আগে ৫০ রান করেন কলিম। ৫ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো তাঁর ২৯ বলের ইনিংস। হাম্মাদের অবদান ৪৬ রান। বাকিরা থেমেছেন টেলিফোন ডিজিটে। ওমানকে অলআউট করার কাজটা সামনে থেকেই করেন জশুয়া লিটল। ১৬ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন এই পেসার। হামফ্রিস এবং ম্যাকার্থির শিকার দুটি করে উইকেট।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow