এবার নতুন কৌশলে যুক্তরাষ্ট্রকে ঘায়েল করবে ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও সামরিক সংঘাত শুরু হলে ইরান উপযুক্ত জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র এব্রাহিম রেজায়ই। এসময় ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণাকে ‘ফাঁকা বুলি’ বলে দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজায়ই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে এবং বিশ্ববাজারে অস্থিরতা বাড়াবে। তিনি বলেন, ইরান এবার এমন কিছু কৌশল প্রয়োগ করবে, যা আগে কখনও ব্যবহার করা হয়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে ইরানের বন্দরগুলো থেকে প্রবেশ ও বহির্গামী সব জাহাজের ওপর অবরোধ কার্যকর করা হবে। মার্কিন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, মার্কিন সামরিক বাহিনী এ নৌ-অবরোধে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োজন হলে দীর্ঘ সময় ধরে এই অবরোধ চালু থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালির দিকে কোনো যুদ্ধজাহাজ এগোলে তা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও সামরিক সংঘাত শুরু হলে ইরান উপযুক্ত জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র এব্রাহিম রেজায়ই। এসময় ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণাকে ‘ফাঁকা বুলি’ বলে দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজায়ই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে এবং বিশ্ববাজারে অস্থিরতা বাড়াবে। তিনি বলেন, ইরান এবার এমন কিছু কৌশল প্রয়োগ করবে, যা আগে কখনও ব্যবহার করা হয়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে ইরানের বন্দরগুলো থেকে প্রবেশ ও বহির্গামী সব জাহাজের ওপর অবরোধ কার্যকর করা হবে। মার্কিন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, মার্কিন সামরিক বাহিনী এ নৌ-অবরোধে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োজন হলে দীর্ঘ সময় ধরে এই অবরোধ চালু থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালির দিকে কোনো যুদ্ধজাহাজ এগোলে তা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের এ উদ্যোগে খুব বেশি আন্তর্জাতিক সমর্থন পাচ্ছে না বলে জানা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মিত্র হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য এ ধরনের অবরোধকে সমর্থন করে না। একই সঙ্গে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আরেক মিত্র ফ্রান্সও ইরানের বিরুদ্ধে এ সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ছয় সপ্তাহ ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার পর যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, তা এখন ঝুঁকির মুখে। ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ব্যর্থ হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
ইরান জানিয়েছে, তারা প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ স্বীকৃতি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তাদের ইউরেনিয়াম মজুত ত্যাগ করুক এবং ভবিষ্যতে সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করুক।