এবার নিজেদের সব বিমানবন্দর চালুর সিদ্ধান্ত ইরাকের
দীর্ঘদিন পর নিজেদের আকাশসীমা খুলে দিয়েছে ইরাক। এরপরই সব বিমানবন্দর সক্রিয় করার নির্দেশ আসে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বুধবার (৮ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্ত নেয় বাগদাদ। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরাকের বন্ধ থাকা সবগুলো বিমানবন্দরের কার্যক্রম চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ইরাকের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ সংক্রান্ত বিবৃতি দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, অবিলম্বে এ নির্দেশ কার্যকর হবে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। তবে এই যুদ্ধবিরতির মধ্যেই কুয়েতের তেল ও বিদ্যুৎ স্থাপনায় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আব্দুল আজিজ আল ওতাইবি জানিয়েছেন, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৫টা থেকে এখন পর্যন্ত দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ২৮টি ইরানি ড্রোন প্রতিহত করেছে। আল ওতাইবি বলেন, ভোর থেকেই আমরা ইরানি হামলার তীব্র ঢেউ লক্ষ্য করছি এবং এখন পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কুয়েতের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা ও বিদ্যুৎ
দীর্ঘদিন পর নিজেদের আকাশসীমা খুলে দিয়েছে ইরাক। এরপরই সব বিমানবন্দর সক্রিয় করার নির্দেশ আসে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বুধবার (৮ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্ত নেয় বাগদাদ।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরাকের বন্ধ থাকা সবগুলো বিমানবন্দরের কার্যক্রম চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ইরাকের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ সংক্রান্ত বিবৃতি দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, অবিলম্বে এ নির্দেশ কার্যকর হবে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। তবে এই যুদ্ধবিরতির মধ্যেই কুয়েতের তেল ও বিদ্যুৎ স্থাপনায় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আব্দুল আজিজ আল ওতাইবি জানিয়েছেন, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৫টা থেকে এখন পর্যন্ত দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ২৮টি ইরানি ড্রোন প্রতিহত করেছে।
আল ওতাইবি বলেন, ভোর থেকেই আমরা ইরানি হামলার তীব্র ঢেউ লক্ষ্য করছি এবং এখন পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কুয়েতের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হয়, যার ফলে তেল অবকাঠামো, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
What's Your Reaction?