এবার লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেবে ইরান, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র পথটি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। দেশটির সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের প্রধান আলী আবদুল্লাহি এক বিবৃতিতে এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ চলছে, ইরানও কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।  বুধবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে বিবৃতিটি প্রচারিত হয়। তাতে আলী আবদুল্লাহি বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের জন্য নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, তাহলে তা হবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের একটি পূর্বসূচনা। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে কোনো ধরনের আমদানি কিংবা রপ্তানি কার্যক্রম চলতে দেবে না। এদিকে ইরানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যে কোনো প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, ইরানের জনগণ এ ধরনের পদক্ষেপ কখনো মেনে নেবে না। বুধবার (১৫ এপ্রিল) তেহরানে জরুরি পরিসেবা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিন

এবার লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেবে ইরান, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র পথটি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। দেশটির সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের প্রধান আলী আবদুল্লাহি এক বিবৃতিতে এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ চলছে, ইরানও কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।  বুধবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে বিবৃতিটি প্রচারিত হয়। তাতে আলী আবদুল্লাহি বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের জন্য নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, তাহলে তা হবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের একটি পূর্বসূচনা। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে কোনো ধরনের আমদানি কিংবা রপ্তানি কার্যক্রম চলতে দেবে না। এদিকে ইরানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যে কোনো প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, ইরানের জনগণ এ ধরনের পদক্ষেপ কখনো মেনে নেবে না। বুধবার (১৫ এপ্রিল) তেহরানে জরুরি পরিসেবা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, তেহরান যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতা নয়, বরং সব সময়ই গঠনমূলক আলোচনার পক্ষে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতিমালার আওতায় বেসামরিক নাগরিক, শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানানো এবং স্কুল ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার পেছনে কী যুক্তি থাকতে পারে? প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ জোরদার করেছে। ফলে দেশটির সামুদ্রিক বাণিজ্য প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, অবরোধ কার্যকর হওয়ার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে যাওয়া-আসা করা প্রায় সব জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সেন্টকমের কমান্ডার ব্র্যাড কুপার বলেন, ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশই আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। ফলে এই অবরোধ দেশটির ওপর বড় অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow