এবার সীমান্তে শতাধিক মানুষ এনেছে বিএসএফ, প্রস্তুত বিজিবি ও গ্রামবাসী
দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পরও সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর পুশইনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নতুন করে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে শতাধিক মানুষ জড়ো করেছে বিএসএফ। তাদের সম্ভাব্য পুশইন ঠেকাতে সতর্ক রয়েছে বিজিবি। শুধু তাই নয়, রাতভর বিজিবির সঙ্গে পাহারায় ছিলেন গ্রামবাসী। বিজিবি ও স্থানীয়দের এই সমন্বিত উদ্যোগ আলোচনা সৃষ্টি করেছে। রবিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের রত্নাই সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, বিজিবির সদস্যরা সীমান্তজুড়ে কড়া নজরদারি ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় স্থানীয় বাসিন্দারাও বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন। শনিবার সীমান্তে খবর ছড়ায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নাটুয়াটলী ক্যাম্পের ২২ ও ২৩ নং গেটের সামনে প্রায় শতাধিক মানুষকে জড়ো করেছে রাতে পুশইনের জন্য। এরপরই বিজিবির সঙ্গে মিলে পুশইন ঠেকাতে অবস্থান নেন গ্রামবাসী। নাটুয়াটলী ক্যাম্পটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপুকুর থানার অর্ন্তগত এলাকায় অবস্থিত। স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পুশইন
দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পরও সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর পুশইনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নতুন করে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে শতাধিক মানুষ জড়ো করেছে বিএসএফ। তাদের সম্ভাব্য পুশইন ঠেকাতে সতর্ক রয়েছে বিজিবি। শুধু তাই নয়, রাতভর বিজিবির সঙ্গে পাহারায় ছিলেন গ্রামবাসী। বিজিবি ও স্থানীয়দের এই সমন্বিত উদ্যোগ আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
রবিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের রত্নাই সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, বিজিবির সদস্যরা সীমান্তজুড়ে কড়া নজরদারি ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় স্থানীয় বাসিন্দারাও বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন।
শনিবার সীমান্তে খবর ছড়ায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নাটুয়াটলী ক্যাম্পের ২২ ও ২৩ নং গেটের সামনে প্রায় শতাধিক মানুষকে জড়ো করেছে রাতে পুশইনের জন্য। এরপরই বিজিবির সঙ্গে মিলে পুশইন ঠেকাতে অবস্থান নেন গ্রামবাসী।
নাটুয়াটলী ক্যাম্পটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপুকুর থানার অর্ন্তগত এলাকায় অবস্থিত।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পুশইনের খবর প্রকাশের পর সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। রাতে রত্নাই বা আশপাশ সীমান্ত দিয়ে পুশইন করা হবে বলে খবর আসে। এ কারণে নিজেদের এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা স্বেচ্ছায় বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে পাহারায় অংশ নিয়েছেন।
কালবেলাকে গ্রামবাসীরা বলেন, ‘সীমান্ত দিয়ে যেন কাউকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো না হয়, সেজন্য আমরা সতর্ক রয়েছি। বিজিবির সদস্যদের সঙ্গে বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি করছি। দেশের স্বার্থে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও এভাবে পাহারা দেব।’
বিএসএফের পুশইনচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তারা আরও বলেন, ‘এমন অযৌক্তিভাবে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পুশইন করার চেষ্টা করছে বিএসএফ। তারা যদি আইনের মাধ্যমে নাগরিক যাচাই করে দেশে পাঠাতো তাহলে ভাল হতো।’
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আখলাকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, সীমান্তে বিজিবির নিয়মিত টহল ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করতে বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যেকোনো সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি বজায় রেখেছে।’
What's Your Reaction?