এমনি এমনিই ইনকিলাব হয়ে ওঠেনি : জুমা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি ও সংগঠনটির সব সদস্যের ডেডিকেশন, সততা ও শ্রম নিয়ে এক আবেগ ঘন ফেসবুক পোস্ট করেছেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে তিনি এ পোস্ট করেন।
ফেসবুক পোস্টে জুমা লেখেন, ‘দেড় বছরের এই স্বল্প সময়ে ইনকিলাব এমনি এমনিই ইনকিলাব হয়ে ওঠেনি। এর পেছনে আছে ওসমান ভাই ও পুরো টিমের অবিশ্বাস্য ডেডিকেশন, সততা ও শ্রম। জাবের ভাই লেকচারার হিসেবে জয়েন করেননি, ফাহিম ভাই বিদেশ যাওয়া ক্যানসেল করলেন, আর আমার ব্যাপারগুলোতো সবার চোখেই দেখা। একেকজনের কোয়ালিফিকেশন আর স্যাক্রিফাইসের ইন্ডিভিজুয়াল গল্প আছে।’
জুমা জানান, ‘আজকে না, আরও অনেক আগেই, শুধু এই সংগ্রামের স্বার্থে, নিজস্ব সব চাওয়া-পাওয়া আমরা ত্যাগ করেছিলাম। সারাদিন কাজ শেষে ২০-২৫ জন ৮০০-১০০০ টাকার মধ্যে মামা হোটেলে খাবার খাইসি বরাবর।’
এ পোস্টে তিনি জানা, ‘প্রোগ্রামে আসা সব টাকা জনগণের এবং জনগণের কাছে পাই টু পাই হিসাব আর কেউ দেয় কিনা জানি না। ব্যক্তিগত জায়গায় কেউ কিছু দিতে চাইলেও সবাই নিজে না নিয়ে সেন্টারে দিয়ে দেয়।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি ও সংগঠনটির সব সদস্যের ডেডিকেশন, সততা ও শ্রম নিয়ে এক আবেগ ঘন ফেসবুক পোস্ট করেছেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে তিনি এ পোস্ট করেন।
ফেসবুক পোস্টে জুমা লেখেন, ‘দেড় বছরের এই স্বল্প সময়ে ইনকিলাব এমনি এমনিই ইনকিলাব হয়ে ওঠেনি। এর পেছনে আছে ওসমান ভাই ও পুরো টিমের অবিশ্বাস্য ডেডিকেশন, সততা ও শ্রম। জাবের ভাই লেকচারার হিসেবে জয়েন করেননি, ফাহিম ভাই বিদেশ যাওয়া ক্যানসেল করলেন, আর আমার ব্যাপারগুলোতো সবার চোখেই দেখা। একেকজনের কোয়ালিফিকেশন আর স্যাক্রিফাইসের ইন্ডিভিজুয়াল গল্প আছে।’
জুমা জানান, ‘আজকে না, আরও অনেক আগেই, শুধু এই সংগ্রামের স্বার্থে, নিজস্ব সব চাওয়া-পাওয়া আমরা ত্যাগ করেছিলাম। সারাদিন কাজ শেষে ২০-২৫ জন ৮০০-১০০০ টাকার মধ্যে মামা হোটেলে খাবার খাইসি বরাবর।’
এ পোস্টে তিনি জানা, ‘প্রোগ্রামে আসা সব টাকা জনগণের এবং জনগণের কাছে পাই টু পাই হিসাব আর কেউ দেয় কিনা জানি না। ব্যক্তিগত জায়গায় কেউ কিছু দিতে চাইলেও সবাই নিজে না নিয়ে সেন্টারে দিয়ে দেয়। গাড়ি ভাড়াটা পর্যন্ত কাউকে নেওয়াতে পারে নাই ওসমান ভাই। উল্টো পারলে নিজের যা আছে দেয়।’
জুমা লেখেন, ‘ভালো ক্যারিয়ার, ভালো চাকরি, সুন্দর জীবন, বিদেশ যাওয়ার প্ল্যান সব ত্যাগ করেই গত দেড় বছর মাঠে থাকা মানুষদের আল্টিমেট লসের পর এসব জাগতিক লোভ দিয়ে টলাইতে চাওয়া আহাম্মকের কাজ। সব ক্ষতির সম্ভাবনা জেনেই আমরা কথা বলি। মিথ্যার ভ্রূকুটির পরোয়া করি না।’
সব শেষে জুমা তার পোস্টে লেখেন, ‘জীবনের নিরাপত্তার তাগিদে সবাই বিদেশ যাওয়ার সময়ে আমরা কজন ইনসাফের পথে লড়ে আল্লাহর কাছে যেতে চেয়েছি। প্রথমজন ওসমান ভাই হয়ে এই চাওয়া আরও দৃঢ় করে দিয়ে গেছেন।’