এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বকেয়া বেতন নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আট মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান এ নির্দেশনা জারি করেন। নির্দেশনায় আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বকেয়া বেতনের বিল জমা দিতে বলা হয়েছে। এতে জানানো হয়, মাউশির আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত বেতন সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পাঠানো হয়েছে। এ জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাধ্যমে শিক্ষকদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে ইবিএএস++ সিস্টেমে যাচাই করা হয়। যাচাইয়ের সময় কোনো তথ্য ভুল পাওয়া গেলে সংশোধনের পর বিল সাবমিটের মাধ্যমে বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হবে। প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারীদের কোনো মাসের বেতন বা উৎসবভাতা বকেয়া রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও–ইএফটি মডিউলে লগইন করে প্রতিটি

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বকেয়া বেতন নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আট মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান এ নির্দেশনা জারি করেন।

নির্দেশনায় আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বকেয়া বেতনের বিল জমা দিতে বলা হয়েছে।

এতে জানানো হয়, মাউশির আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত বেতন সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পাঠানো হয়েছে। এ জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাধ্যমে শিক্ষকদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে ইবিএএস++ সিস্টেমে যাচাই করা হয়। যাচাইয়ের সময় কোনো তথ্য ভুল পাওয়া গেলে সংশোধনের পর বিল সাবমিটের মাধ্যমে বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হবে।

প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারীদের কোনো মাসের বেতন বা উৎসবভাতা বকেয়া রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও–ইএফটি মডিউলে লগইন করে প্রতিটি মাসের বিল আলাদাভাবে সাবমিট করতে হবে। দাখিল করা তথ্যের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বকেয়া অর্থ প্রদান করা হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ইএফটি চালুর পর ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত সময়ে যেসব শিক্ষক অনলাইনে এমপিও আবেদন করে ইতোমধ্যে বকেয়া বেতন পেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে ‘পেমেন্ট নেই’ অপশন ব্যবহার করতে হবে।

মাউশি জানায়, প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারীর বকেয়া অর্থ বিধিমতো নির্ধারণ করে আলাদাভাবে বিল দাখিল করতে হবে। ইএফটির মাধ্যমে বেতন পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিল করা তথ্যই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। ভুল তথ্যের কারণে কেউ অতিরিক্ত বা কম অর্থ পেলে তার দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে।

এছাড়া এমপিও তালিকাভুক্ত কোনো শিক্ষক মৃত্যুবরণ বা পদত্যাগ করলে সংশ্লিষ্ট মাসের বেতন বিধি অনুযায়ী নির্ধারণ করে বিল জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে সাময়িক বরখাস্ত, অনুমোদনহীন অনুপস্থিতি, স্টপ পেমেন্ট, সনদ জালিয়াতি বা অন্য কোনো কারণে আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ বেতন কর্তনের প্রয়োজন হলে তা বিল সাবমিট অপশনে উল্লেখ করতে হবে।

মাউশি আরও জানায়, আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ডিসেম্বর-২০২৪ থেকে জুলাই-২০২৫ পর্যন্ত সব বকেয়া এমপিও বিল সাবমিট করার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সতর্কভাবে অনুরোধ করা হলো।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow