এমপিরা সরকারি বরাদ্দের ৫০ ভাগ নিজেরা রেখে দেন: রুমিন ফারহানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, এমপি সাহেবরা সরকারি বরাদ্দের ৫০ ভাগ নিজেরা রেখে দেন। তাদের সহযোগীরা নেন ২৫ ভাগ, ঠিকাদাররা পকেটে দেন ২০ ভাগ। আর বাস্তবে কাজে লাগে মাত্র ৫ ভাগ টাকা। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের শাখাইতি গ্রামে উঠান বৈঠকে এ মন্তব্য করেন তিনি। এমপিদের অর্থনৈতিক অনিয়মের প্রসঙ্গ টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, এমপি যদি সৎ হন, তাহলে সরকারি বা বেসরকারি কোনো কাজেই দুর্নীতি হওয়ার সুযোগ থাকে না। সরকারি দলের এমপি হোক বা স্বতন্ত্র বরাদ্দ সবার জন্যই সমান। এমপি চুরি না করলে কোনো ঠিকাদারের পক্ষেও টাকা আত্মসাৎ করা সম্ভব নয়। এলাকার প্রবাসীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, প্রবাসীরা দেশের পাশাপাশি গ্রামের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছেন। তাদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব। ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার পরিবারের ঘনিষ্ঠ কেউ দেশে নেই, অধিকাংশ আত্মীয়-স্বজনই বিদেশে অবস্থান করছেন। ফলে কোনো ব্যক্তিগত পিছুটান নেই। নির্বাচনে জয়ের পর কেউ

এমপিরা সরকারি বরাদ্দের ৫০ ভাগ নিজেরা রেখে দেন: রুমিন ফারহানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, এমপি সাহেবরা সরকারি বরাদ্দের ৫০ ভাগ নিজেরা রেখে দেন। তাদের সহযোগীরা নেন ২৫ ভাগ, ঠিকাদাররা পকেটে দেন ২০ ভাগ। আর বাস্তবে কাজে লাগে মাত্র ৫ ভাগ টাকা।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের শাখাইতি গ্রামে উঠান বৈঠকে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এমপিদের অর্থনৈতিক অনিয়মের প্রসঙ্গ টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, এমপি যদি সৎ হন, তাহলে সরকারি বা বেসরকারি কোনো কাজেই দুর্নীতি হওয়ার সুযোগ থাকে না। সরকারি দলের এমপি হোক বা স্বতন্ত্র বরাদ্দ সবার জন্যই সমান। এমপি চুরি না করলে কোনো ঠিকাদারের পক্ষেও টাকা আত্মসাৎ করা সম্ভব নয়।

এলাকার প্রবাসীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, প্রবাসীরা দেশের পাশাপাশি গ্রামের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছেন। তাদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব।

ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার পরিবারের ঘনিষ্ঠ কেউ দেশে নেই, অধিকাংশ আত্মীয়-স্বজনই বিদেশে অবস্থান করছেন। ফলে কোনো ব্যক্তিগত পিছুটান নেই। নির্বাচনে জয়ের পর কেউ লাইনে দাঁড়িয়ে সুবিধা নেওয়ার চাপ দেবে না। যে ফল পাওয়ার কথা, তা সরাসরি এলাকার জনগণই পাবে।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ইনশাল্লাহ আগামী ২২ তারিখ প্রতীক জানা যাবে। হাঁস প্রতীকই আমার লক্ষ্য। চেষ্টা থাকবে হাঁস মার্কা নিয়েই নির্বাচনে থাকার।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow