এমপি হলে প্রতিটি মোড়ে নিজের মোবাইল নম্বর টানিয়ে রাখবো

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে কুড়িগ্রামের প্রতিটি রাস্তার মোড়ে নিজের মোবাইল ফোন নম্বর টানিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কুড়িগ্রামের রাজারহাট ইউনিয়নের পোদ্দারপাড়ায় নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। ১১ দলীয় জোট মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকে কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আতিক। জনসভায় উপস্থিত অনেক ভোটার অভিযোগ করেন, অতীতে এমপিদের শুধু নির্বাচনের সময়ই দেখা গেছে, এরপর আর তাদের খোঁজ মেলেনি। এর জবাবে ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, ‌‘আমি আপনাদের ভালো সন্তান হতে চাই, আপনাদের দায়িত্ব নিতে চাই। আপনারা যেন যে কোনো সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, এজন্য আমি কুড়িগ্রামের প্রতিটি রাস্তার মোড়ে নিজের মোবাইল ফোন নম্বর টানিয়ে রাখবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটি দল কার্ডের লোভ দেখিয়ে অপরাজনীতি করছে। আমরা কার্ডের রাজনীতি বন্ধ করবো। কুড়িগ্রামকে একটি কর্মমুখর জেলা বানাবো। কার্ড আর কম্বল দেখিয়ে এ জেলার মানুষকে আর পিছিয়ে রাখা হবে না।’ স্বাস্থ্যখাত প্

এমপি হলে প্রতিটি মোড়ে নিজের মোবাইল নম্বর টানিয়ে রাখবো

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে কুড়িগ্রামের প্রতিটি রাস্তার মোড়ে নিজের মোবাইল ফোন নম্বর টানিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কুড়িগ্রামের রাজারহাট ইউনিয়নের পোদ্দারপাড়ায় নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। ১১ দলীয় জোট মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকে কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আতিক।

জনসভায় উপস্থিত অনেক ভোটার অভিযোগ করেন, অতীতে এমপিদের শুধু নির্বাচনের সময়ই দেখা গেছে, এরপর আর তাদের খোঁজ মেলেনি। এর জবাবে ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, ‌‘আমি আপনাদের ভালো সন্তান হতে চাই, আপনাদের দায়িত্ব নিতে চাই। আপনারা যেন যে কোনো সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, এজন্য আমি কুড়িগ্রামের প্রতিটি রাস্তার মোড়ে নিজের মোবাইল ফোন নম্বর টানিয়ে রাখবো।’

এমপি হলে প্রতিটি মোড়ে নিজের মোবাইল নম্বর টানিয়ে রাখবো

তিনি আরও বলেন, ‘একটি দল কার্ডের লোভ দেখিয়ে অপরাজনীতি করছে। আমরা কার্ডের রাজনীতি বন্ধ করবো। কুড়িগ্রামকে একটি কর্মমুখর জেলা বানাবো। কার্ড আর কম্বল দেখিয়ে এ জেলার মানুষকে আর পিছিয়ে রাখা হবে না।’

স্বাস্থ্যখাত প্রসঙ্গে এনসিপির এই প্রার্থী বলেন, ‘কুড়িগ্রামে ডাক্তাররা থাকতে চান না, ঢাকায় বদলির জন্য নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘোরেন। আমরা এই সিস্টেম বন্ধ করবো। ঢাকায় পাঠাবো না, বরং উল্টো আরও ভালো ডাক্তার কুড়িগ্রামে নিয়ে আসবো।’

রোকনুজ্জামান মানু/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow