এয়ারকন্ডিশন অফিসে বসা কর্মকর্তাদের কাছে ফুটবল জিম্মি হয়ে গেছে
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নতুন নিয়ম হাইড্রেশন (পানি পানের) বিরতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক লিভারপুল কোচ ও বর্তমান ফুটবল নির্বাহী ক্লপ। তার অভিযোগ, খেলোয়াড়দের কল্যাণের কথা বলে চালু করা এই বিরতিগুলো আসলে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান ও স্পনসরদের বাণিজ্যিক স্বার্থ পূরণের একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্বকাপে প্রচণ্ড গরমের কারণে প্রতিটি অর্ধে নির্দিষ্ট সময়ে তিন মিনিটের হাইড্রেশন বিরতি রাখা হয়েছে। ফিফার দাবি, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ক্লপ মনে করেন, বাস্তবে এই বিরতিগুলো ম্যাচের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করছে। জার্মান টেলিভিশন চ্যানেল জেডডিএফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এয়ারকন্ডিশন অফিসে বসে থাকা কর্মকর্তাদের কাছে ফুটবল যেন জিম্মি হয়ে গেছে। মাঠে খেলোয়াড়রা দাঁড়িয়ে আছে, আর টিভি টাইম-আউট ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করছে। তখন প্রশ্ন জাগে—বিশ্বকাপ আসলে কার জন্য? সমর্থকদের জন্য, খেলোয়াড়দের জন্য, নাকি বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য?’ ক্লপের এই মন্তব্যের আগে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের কোচ মরিসিও পচেত্তিনোও বিরতিগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সমালোচকদের মতে
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নতুন নিয়ম হাইড্রেশন (পানি পানের) বিরতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক লিভারপুল কোচ ও বর্তমান ফুটবল নির্বাহী ক্লপ। তার অভিযোগ, খেলোয়াড়দের কল্যাণের কথা বলে চালু করা এই বিরতিগুলো আসলে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান ও স্পনসরদের বাণিজ্যিক স্বার্থ পূরণের একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্বকাপে প্রচণ্ড গরমের কারণে প্রতিটি অর্ধে নির্দিষ্ট সময়ে তিন মিনিটের হাইড্রেশন বিরতি রাখা হয়েছে। ফিফার দাবি, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে ক্লপ মনে করেন, বাস্তবে এই বিরতিগুলো ম্যাচের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করছে। জার্মান টেলিভিশন চ্যানেল জেডডিএফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এয়ারকন্ডিশন অফিসে বসে থাকা কর্মকর্তাদের কাছে ফুটবল যেন জিম্মি হয়ে গেছে। মাঠে খেলোয়াড়রা দাঁড়িয়ে আছে, আর টিভি টাইম-আউট ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করছে। তখন প্রশ্ন জাগে—বিশ্বকাপ আসলে কার জন্য? সমর্থকদের জন্য, খেলোয়াড়দের জন্য, নাকি বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য?’
ক্লপের এই মন্তব্যের আগে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের কোচ মরিসিও পচেত্তিনোও বিরতিগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সমালোচকদের মতে, খেলোয়াড়দের বিশ্রামের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি এই সময়গুলোতে টেলিভিশন সম্প্রচারকারীরা অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন দেখিয়ে বড় অঙ্কের রাজস্ব আয় করছে।
বিশ্বকাপ সম্প্রচারকারী কয়েকটি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ইতোমধ্যে হাইড্রেশন বিরতির সময় পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞাপন প্রচার করায় সমর্থকদের ক্ষোভের মুখে পড়েছে। অনেক দর্শকের অভিযোগ, এতে ম্যাচ দেখার অভিজ্ঞতা ব্যাহত হচ্ছে এবং ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী ধারাবাহিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অন্যদিকে ফিফা তাদের অবস্থানে অনড়। সংস্থাটি জানিয়েছে, উত্তর আমেরিকার গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার কথা বিবেচনা করেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য সুরক্ষাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।
তবে বিশ্বকাপের শুরুতেই এই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। খেলোয়াড়দের সুরক্ষা নাকি বাণিজ্যিক লাভ—হাইড্রেশন বিরতি নিয়ে ফুটবল বিশ্বে সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে।
এমএমআর
What's Your Reaction?