ঐক্য ও উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য : ফরিদুল ইসলাম
বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. লায়ন ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকাই স্বাভাবিক। তবে আমাদের রাজনীতিতে প্রতিহিংসার কোনো স্থান নেই। দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা মেনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এদিন বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়ন দাখিলকারী মোট ৩২ প্রার্থীর কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনিয়ম ও যোগ্যতা সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। ফরিদুল ইসলাম বলেন, দল চূড়ান্তভাবে ধানের শীষ প্রতীকে আমাকে বাগেরহাট-৩ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে এবং আজ আমার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে এলে সবাই একসঙ্গে মাঠে নেমে কাজ করব। আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। আমরা সামাজিক মানুষ, ব্যক্তি হিসেবে আমাদের নীতি ও মূল্যবোধ রয়েছে। একজন মানুষ হিসেবে সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও থা
বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. লায়ন ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকাই স্বাভাবিক। তবে আমাদের রাজনীতিতে প্রতিহিংসার কোনো স্থান নেই। দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা মেনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
এদিন বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়ন দাখিলকারী মোট ৩২ প্রার্থীর কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনিয়ম ও যোগ্যতা সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
ফরিদুল ইসলাম বলেন, দল চূড়ান্তভাবে ধানের শীষ প্রতীকে আমাকে বাগেরহাট-৩ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে এবং আজ আমার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে এলে সবাই একসঙ্গে মাঠে নেমে কাজ করব। আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। আমরা সামাজিক মানুষ, ব্যক্তি হিসেবে আমাদের নীতি ও মূল্যবোধ রয়েছে। একজন মানুষ হিসেবে সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।
ফরিদুল বলেন, আমার প্রিয় নেতা তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন— স্বপ্ন দেখব না, পরিকল্পনা করব এবং বাস্তবায়ন করব। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও মানুষের নিরাপত্তাসহ মোট আটটি সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতীতে বিএনপির যেসব ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধন করে আগামী দিনে জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে এই জনপদকে সম্পৃক্ত করা হবে।
উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম ধাপে মংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। একই সঙ্গে ইপিজেড এলাকার বিদ্যমান ঘাটতি পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সুন্দরবনকেন্দ্রিক ইকো-ট্যুরিজম এবং বঙ্গোপসাগরভিত্তিক নীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।
নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বলেন, এটি আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। লবণাক্ততার প্রভাবে গ্রামীণ নারীরা নানা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফ্রিল্যান্সিং ও ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নারীদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা কাজের মধ্য দিয়েই মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাই। প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমার জনপদে করা উঠান বৈঠকগুলোতে মানুষের একটাই দাবি— নিরাপত্তা। তাই সর্বপ্রথম নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
সবশেষে ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমি এই জনপদেরই মানুষ। এখানকার সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে আমি অবগত। জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করে, ইনশাল্লাহ আমি জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, শেখ ফরিদুল ইসলামকে মনোনয়ন দিয়ে দল একটি সঠিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে তিনি রামপাল–মংলার মানুষের পাশে থেকে রাজপথের সকল আন্দোলন-কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের হামলা-মামলা মোকাবিলা করে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।
এই আসনে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়। সব দল-মত ও ধর্ম-বর্ণের মানুষ তাকে রামপাল-মংলার গণমানুষের নেতা হিসেবে গ্রহণ করেছে। দলীয় নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলামকে বিজয়ী করবেন।
What's Your Reaction?