ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে স্মরণ করা হবে পেলে-ম্যারাডোনাকে

একজন জিতেছেন তিনটি বিশ্বকাপ অন্যজন একাই জিতিয়েছেন একটি বিশ্বকাপ। ফুটবল ইতিহাসের দুই কিংবদন্তি ব্রাজিলের পেলে ও আর্জেন্টিনার ম্যারাডোনা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া স্মৃতি যেন আজও জ্বাজ্জল্যমান। আরেকটি বিশ্বকাপ শুরু হতে যাচ্ছে আজ মেক্সিকোতে। আর সেটি যদি হয় মেক্সিকোর সেই ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়াম তাহলে চোখের কোণে আচমকাই ভেসে ওঠে পেলে ও ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরার ছবি। কেননা এই স্টেডিয়ামেই বিশ্বকাপের ফাইনালে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন দুজনই। আর সেই মুহূর্তগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাদেরকে স্মরণ করে বিশ্বকাপের পর্দা উঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফিফা। সালটা ১৯৭০। মেক্সিকোর এই আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইতালিকে ৪-১ গোলে হারিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপ জিতেছিল পেলের ব্রাজিল৷ সেই সময়ের ব্রাজিল দলটাকে এখনো টুর্নামেন্টের ইতিহাসের অন্যতম সেরা দল ধরা হয়৷ ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপকে ধরা হয় ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ। হাতের গোল এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা গোল দুটির জন্যেই এই বিশ্বকাপ বেশি আলোচিত। এর বাইরেও ম্যারাডোনার একক নৈপুণ্যে সেবার দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিতেছিল

ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে স্মরণ করা হবে পেলে-ম্যারাডোনাকে

একজন জিতেছেন তিনটি বিশ্বকাপ অন্যজন একাই জিতিয়েছেন একটি বিশ্বকাপ। ফুটবল ইতিহাসের দুই কিংবদন্তি ব্রাজিলের পেলে ও আর্জেন্টিনার ম্যারাডোনা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া স্মৃতি যেন আজও জ্বাজ্জল্যমান।

আরেকটি বিশ্বকাপ শুরু হতে যাচ্ছে আজ মেক্সিকোতে। আর সেটি যদি হয় মেক্সিকোর সেই ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়াম তাহলে চোখের কোণে আচমকাই ভেসে ওঠে পেলে ও ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরার ছবি।

কেননা এই স্টেডিয়ামেই বিশ্বকাপের ফাইনালে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন দুজনই। আর সেই মুহূর্তগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাদেরকে স্মরণ করে বিশ্বকাপের পর্দা উঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফিফা।

সালটা ১৯৭০। মেক্সিকোর এই আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইতালিকে ৪-১ গোলে হারিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপ জিতেছিল পেলের ব্রাজিল৷ সেই সময়ের ব্রাজিল দলটাকে এখনো টুর্নামেন্টের ইতিহাসের অন্যতম সেরা দল ধরা হয়৷

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপকে ধরা হয় ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ। হাতের গোল এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা গোল দুটির জন্যেই এই বিশ্বকাপ বেশি আলোচিত। এর বাইরেও ম্যারাডোনার একক নৈপুণ্যে সেবার দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিতেছিল আর্জেন্টিনা৷ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে এই আজতেকা স্টেডিয়ামেই ট্রফি হাতে মাঠ প্রদক্ষিণ করেছিলেন ম্যারাডোনা।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow