ওমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাংলাদেশির মৃত্যু

মীর মাহফুজ আনাম, মাস্কাট (ওমান) মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির প্রবাসী মোহাম্মদ এনাম (৪৫)। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে দেশটির সোহার সিটিতে ভারতীয় রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরে হিটার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ওমানে থাকা নিহতের ছোট ভাই একরাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এনাম চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত জাগির হোসেনের বড় ছেলে। জানা গেছে, দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে ওমানের সোহার সিটিতে বসবাস করে আসছিলেন এনাম। সেখানে তার একটি এসি মেরামতের দোকান রয়েছে। নিজের ব্যবসার পাশাপাশি বাইরে গিয়ে এসি ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য মেরামতের কাজও করতেন তিনি। ঘটনার দিনও একাই ওই রেস্টুরেন্টে মেরামতের কাজ করছিলেন। কাজের একপর্যায়ে হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে এনামের নিথর দেহ উদ্ধার করে সোহার হাসপাতালে নিয়ে যায়। নিহতের চাচাতো ভাই বেলাল জানান, এনাম ছিলেন অত্যন্ত মিশুক ও পরিশ্রমী মানুষ। তারা সোহার হাসপাতালে গিয়ে তার মরদেহ দেখে এসেছেন।

ওমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাংলাদেশির মৃত্যু

মীর মাহফুজ আনাম, মাস্কাট (ওমান)

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির প্রবাসী মোহাম্মদ এনাম (৪৫)। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে দেশটির সোহার সিটিতে ভারতীয় রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরে হিটার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ওমানে থাকা নিহতের ছোট ভাই একরাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এনাম চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত জাগির হোসেনের বড় ছেলে।

জানা গেছে, দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে ওমানের সোহার সিটিতে বসবাস করে আসছিলেন এনাম। সেখানে তার একটি এসি মেরামতের দোকান রয়েছে। নিজের ব্যবসার পাশাপাশি বাইরে গিয়ে এসি ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য মেরামতের কাজও করতেন তিনি। ঘটনার দিনও একাই ওই রেস্টুরেন্টে মেরামতের কাজ করছিলেন। কাজের একপর্যায়ে হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

পরে আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে এনামের নিথর দেহ উদ্ধার করে সোহার হাসপাতালে নিয়ে যায়।

নিহতের চাচাতো ভাই বেলাল জানান, এনাম ছিলেন অত্যন্ত মিশুক ও পরিশ্রমী মানুষ। তারা সোহার হাসপাতালে গিয়ে তার মরদেহ দেখে এসেছেন। তার পকেটে থাকা বাংলাদেশি প্রায় সাত লাখ টাকা সমমূল্যের আড়াই হাজার ওমানি রিয়াল অক্ষত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ব্যক্তিজীবনে এনাম এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তার ১১ বছর বয়সী একটি মেয়ে এবং ৭ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। পরিবারের একমাত্র ভরসা হয়ে প্রবাসে দীর্ঘদিন সংগ্রাম করে যাওয়া এই মানুষটির হঠাৎ মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

ওমানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এনামের মরদেহ দেশে পাঠানো হবে।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow