ওমেরা এলপিজির ব্যতিক্রমী রিটেইলার ক্যাম্পেইনের গ্র্যান্ড উইনার্স নাইট অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় এলপিজি ব্র্যান্ড ওমেরা এলপিজির ব্যতিক্রমী রিটেইলার এনগেজমেন্ট ক্যাম্পেইন ‘ওমেরার রঙে দোকান সাজাই, বিজয়ীর বেশে বিদেশ যাই’-এর গ্র্যান্ড উইনার্স নাইট অনুষ্ঠিত হয়েছে। চার মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে দেশের ৬৪ জেলার সাড়ে ৩ হাজারের বেশি রিটেইলার অংশ নেন। আয়োজকরা বলছেন, বাংলাদেশের এলপিজি শিল্পে রিটেইলার সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে এটি অন্যতম বৃহৎ উদ্যোগ। ওমেরা এলপিজির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রিটেইলারদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ক্যাম্পেইনটি শুরু হয়। এতে রিটেইলারদের ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ডিং উপকরণ ও সিলিন্ডার ব্যবহার করে নিজেদের দোকান সাজিয়ে ছবি পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়। মূল লক্ষ্য ছিল দেশজুড়ে ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা বাড়ানো এবং রিটেইল নেটওয়ার্কের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা। প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য পরিকল্পিত হলেও রিটেইলারদের ব্যাপক সাড়ার কারণে ক্যাম্পেইনের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়ে এপ্রিল পর্যন্ত চালানো হয়। ক্যাম্পেইনে জাতীয় পর্যায়ে সেরা ১০ জনের পাশাপাশি ৬৪ জেলার সেরা রিটেইলারদেরও সম্মাননা দেওয়া হয়। জাতীয় পর্যায়ে
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় এলপিজি ব্র্যান্ড ওমেরা এলপিজির ব্যতিক্রমী রিটেইলার এনগেজমেন্ট ক্যাম্পেইন ‘ওমেরার রঙে দোকান সাজাই, বিজয়ীর বেশে বিদেশ যাই’-এর গ্র্যান্ড উইনার্স নাইট অনুষ্ঠিত হয়েছে। চার মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে দেশের ৬৪ জেলার সাড়ে ৩ হাজারের বেশি রিটেইলার অংশ নেন। আয়োজকরা বলছেন, বাংলাদেশের এলপিজি শিল্পে রিটেইলার সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে এটি অন্যতম বৃহৎ উদ্যোগ।
ওমেরা এলপিজির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রিটেইলারদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ক্যাম্পেইনটি শুরু হয়। এতে রিটেইলারদের ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ডিং উপকরণ ও সিলিন্ডার ব্যবহার করে নিজেদের দোকান সাজিয়ে ছবি পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়। মূল লক্ষ্য ছিল দেশজুড়ে ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা বাড়ানো এবং রিটেইল নেটওয়ার্কের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা।
প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য পরিকল্পিত হলেও রিটেইলারদের ব্যাপক সাড়ার কারণে ক্যাম্পেইনের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়ে এপ্রিল পর্যন্ত চালানো হয়।
ক্যাম্পেইনে জাতীয় পর্যায়ে সেরা ১০ জনের পাশাপাশি ৬৪ জেলার সেরা রিটেইলারদেরও সম্মাননা দেওয়া হয়। জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন জামালপুরের এমএস রাইশা ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী আরিফুল ইসলাম রাসেল। প্রথম রানারআপ হয়েছেন মৌলভীবাজারের আরিফ সাউন্ড অ্যান্ড লাইটিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. আরিফুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন হবিগঞ্জের তোফাজ্জল ডিনার আরতের স্বত্বাধিকারী মো. রুবেল।
চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীকে দুইজনের বিদেশ ভ্রমণের ট্যুর প্যাকেজ দেওয়া হয়। এছাড়া মোটরসাইকেল, বিদেশ ভ্রমণ, বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও আকর্ষণীয় গিফট হ্যাম্পারসহ নানা পুরস্কার দেওয়া হয়। ক্যাম্পেইনের সাপ্তাহিক ও মাসিক বিজয়ীরাও বিভিন্ন উপহার পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ওমেরা এলপিজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তানজীম চৌধুরী, প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) মাথীন্দ্র ডি জয়াসা, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) আতিয়ার রহমান, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বিজয়ী রিটেইলার এবং প্রতিষ্ঠানের সেলস টিমের সদস্যরা।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের মধ্য দিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ওমেরা এলপিজির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ রিটেইলারদের সহযোগিতা ও আস্থার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। একই সঙ্গে ক্যাম্পেইনের সফল বাস্তবায়নে ফিল্ড সেলস টিমের অবদানেরও স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
What's Your Reaction?