ওয়াই-ফাই ভীষণ স্লো? কয়েকটি উপায়েই সমস্যার সমাধান করুন

ইন্টারনেটের যুগে ওয়াই-ফাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে অনলাইন ক্লাস, ভিডিও কল, সিনেমা দেখা কিংবা গেম খেলা সবকিছুর জন্যই নির্ভর করতে হয় দ্রুতগতির ইন্টারনেটের ওপর। কিন্তু হঠাৎ করেই যদি ওয়াই-ফাই ধীর হয়ে যায়, তখনই শুরু হয় ভোগান্তি। ভিডিও বাফারিং, কলের মাঝখানে নেট কেটে যাওয়া কিংবা গেমে ল্যাগ এসব সমস্যা বেশ বিরক্তিকর। তাই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঠিক কী কারণে ওয়াই-ফাই স্লো হয়ে যায়? আসলে ওয়াই-ফাই ধীরগতির পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। অনেক সময় রাউটার থেকে বেশি দূরে থাকলে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যায়। আবার একসঙ্গে অনেক ডিভাইস একই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলেও স্পিড কমে যেতে পারে। পুরনো রাউটার বা ডিভাইস আধুনিক ইন্টারনেটের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলেও এমন সমস্যা দেখা দেয়। তাছাড়া কিছু অ্যাপ্লিকেশন অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করলে অন্য কাজের জন্য নেট ধীর হয়ে পড়ে। নানান কারণে ওয়াই-ফাই স্লো হতে পারে। ওয়াই-ফাই সিগন্যাল অনেক সময় আশপাশের ইলেকট্রনিক ডিভাইসের কারণে ব্যাহত হয়। মাইক্রোওয়েভ ওভেন, বেবি মনিটর বা কাছাকাছি থাকা অন্য ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক থেকেও সিগন্যালের মধ্যে হস্তক্ষেপ তৈ

ওয়াই-ফাই ভীষণ স্লো? কয়েকটি উপায়েই সমস্যার সমাধান করুন

ইন্টারনেটের যুগে ওয়াই-ফাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে অনলাইন ক্লাস, ভিডিও কল, সিনেমা দেখা কিংবা গেম খেলা সবকিছুর জন্যই নির্ভর করতে হয় দ্রুতগতির ইন্টারনেটের ওপর। কিন্তু হঠাৎ করেই যদি ওয়াই-ফাই ধীর হয়ে যায়, তখনই শুরু হয় ভোগান্তি। ভিডিও বাফারিং, কলের মাঝখানে নেট কেটে যাওয়া কিংবা গেমে ল্যাগ এসব সমস্যা বেশ বিরক্তিকর। তাই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঠিক কী কারণে ওয়াই-ফাই স্লো হয়ে যায়?

আসলে ওয়াই-ফাই ধীরগতির পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। অনেক সময় রাউটার থেকে বেশি দূরে থাকলে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যায়। আবার একসঙ্গে অনেক ডিভাইস একই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলেও স্পিড কমে যেতে পারে। পুরনো রাউটার বা ডিভাইস আধুনিক ইন্টারনেটের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলেও এমন সমস্যা দেখা দেয়। তাছাড়া কিছু অ্যাপ্লিকেশন অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করলে অন্য কাজের জন্য নেট ধীর হয়ে পড়ে।

নানান কারণে ওয়াই-ফাই স্লো হতে পারে। ওয়াই-ফাই সিগন্যাল অনেক সময় আশপাশের ইলেকট্রনিক ডিভাইসের কারণে ব্যাহত হয়। মাইক্রোওয়েভ ওভেন, বেবি মনিটর বা কাছাকাছি থাকা অন্য ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক থেকেও সিগন্যালের মধ্যে হস্তক্ষেপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ২.৪ গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করলে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

এছাড়া পুরোনো রাউটার বা ডিভাইস আধুনিক ইন্টারনেট স্পিড ঠিকমতো সামলাতে পারে না। অনেক সময় রাউটারের ফার্মওয়্যার পুরনো হয়ে গেলেও পারফরম্যান্স কমে যায়। আবার কখনো কখনো ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণেও স্পিড কমে যেতে পারে।

স্লো ওয়াই-ফাই ঠিক করার উপায় জেনে নিন-

  • ১. ওয়াই-ফাই স্পিড ভালো রাখতে রাউটারটি ঘরের মাঝামাঝি স্থানে রাখা সবচেয়ে ভালো। এতে সিগন্যাল সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং ডিভাইসের সঙ্গে দূরত্বও কম থাকে।
  • ২. প্রতিবেশীর নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে রাউটারের চ্যানেল ম্যানুয়ালি পরিবর্তন করা যেতে পারে। আধুনিক অনেক রাউটারেই এই সুবিধা রয়েছে।
  • ৩. যদি রাউটার ডুয়াল-ব্যান্ড সাপোর্ট করে, তাহলে ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড ব্যবহার করা ভালো। এতে নেটওয়ার্কের ভিড় তুলনামূলক কম থাকে এবং ইন্টারনেট স্পিডও বেশি পাওয়া যায়।
  • ৪. এছাড়া রাউটারের ফার্মওয়্যার নিয়মিত আপডেট করলে নিরাপত্তা ও পারফরম্যান্স দুটোই উন্নত হয়। আর খুব পুরনো রাউটার ব্যবহার করলে নতুন মডেলে আপগ্রেড করার কথা ভাবা যেতে পারে, যা সর্বশেষ ওয়াই-ফাই স্ট্যান্ডার্ড যেমন ওয়াই-ফাই ৬ সাপোর্ট করে।

আরও পড়ুন
সোশ্যাল মিডিয়া নজর রাখছে আপনার ব্যক্তিগত জীবনেও
পানি ছাড়াও যেসব কারণে স্মার্টফোন নষ্ট হতে পারে

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow