ওয়ানডেতে দেশের এবং ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করলেন নাহিদ রানা

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজকের এই ম্যাচটি দিয়ে নাহিদ রানা খেলতে নেমেছে ১৪তম আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচ। এর আগের ১৩ ওয়ানডেতে তিনি ইউকেট নিয়েছিলেন ২৫টি। আজ ১৪তম ওয়ানডে ম্যাচে এসে নাহিদ রানার মোট উইকেট সংখ্যা দাঁড়ালো ৩১টিতে। অর্থ্যাৎ, ওয়ানডেতে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে নাহিদ রানা আজ একাই নিয়েছে ৬ উইকেট। এর আগেও ২বার ফাইফার বা ৫ উইকেট নিয়েছিলেন নাহিদ রানা। কিন্তু আগের দু’বারই তার উইকেট সীমাদ্ধ ছিল ৫টিতে। এবার নাহিদ রানা উইকেট নিলেন ৬টি। ১০ ওভারে ২ মেডে নিয়ে রান দিয়েছেন ২১টি। শুধু নিজের ক্যারিয়ারেরই নয়, নাহিদ রানা ওয়ানডেতে ৬ উইকেট নিয়ে দেশের হয়ে সেরা বোলিংও উপহার দিলেন। বাংলাদেশের জার্সিতে ওয়ানডেতে ৬ উইকেট নেওয়ার ঘটনা ছিল ৫টি। সেরা বোলিং ছিল মাশরাফি বিন মর্তুজার। ২০০৬ সালে নাইরোবিতে কেনিয়ার বিপক্ষে ২৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৩ সালে মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫.৫ ওভার বোলিং করে ২৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন রুবেল হোসেন। গত বছর (২০২৫) মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৯ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন রিশাদ হোসেন। ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ১০ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মোস্তাফিজ

ওয়ানডেতে দেশের এবং ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করলেন নাহিদ রানা

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজকের এই ম্যাচটি দিয়ে নাহিদ রানা খেলতে নেমেছে ১৪তম আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচ। এর আগের ১৩ ওয়ানডেতে তিনি ইউকেট নিয়েছিলেন ২৫টি। আজ ১৪তম ওয়ানডে ম্যাচে এসে নাহিদ রানার মোট উইকেট সংখ্যা দাঁড়ালো ৩১টিতে। অর্থ্যাৎ, ওয়ানডেতে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে নাহিদ রানা আজ একাই নিয়েছে ৬ উইকেট।

এর আগেও ২বার ফাইফার বা ৫ উইকেট নিয়েছিলেন নাহিদ রানা। কিন্তু আগের দু’বারই তার উইকেট সীমাদ্ধ ছিল ৫টিতে। এবার নাহিদ রানা উইকেট নিলেন ৬টি। ১০ ওভারে ২ মেডে নিয়ে রান দিয়েছেন ২১টি। শুধু নিজের ক্যারিয়ারেরই নয়, নাহিদ রানা ওয়ানডেতে ৬ উইকেট নিয়ে দেশের হয়ে সেরা বোলিংও উপহার দিলেন।

বাংলাদেশের জার্সিতে ওয়ানডেতে ৬ উইকেট নেওয়ার ঘটনা ছিল ৫টি। সেরা বোলিং ছিল মাশরাফি বিন মর্তুজার। ২০০৬ সালে নাইরোবিতে কেনিয়ার বিপক্ষে ২৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৩ সালে মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫.৫ ওভার বোলিং করে ২৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন রুবেল হোসেন।

গত বছর (২০২৫) মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৯ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন রিশাদ হোসেন। ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ১০ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান ও মাত্র এক মাস আগে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৮ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন শরিফুল ইসলাম।

এবার সবাইকে ছাড়িয়ে সবচেয়ে কম রান খরচায় (২১) ৬ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখালেন নাহিদ রানা। তার বোলিং তোপে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয়েছে ১৪১ রানে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নাহিদ রানার ফাইফার + ৬ উইকেটের ভিন্ন একটা গুরুত্ব আছে। আগের যে দুটি ফাইফার তিনি নিয়েছিলেন, ওই দুটিই ছিল মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এবার নাহিদ ফাইফার নিলেন দেশের বাইরে, বিদেশের মাটিতে। যেটা পরে দাঁড়িয়েছে ৬ উইকেটে।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের একের পর এক তোপের মুখে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। এর মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন নাহিদ রানা।

শুরুতে জিম্বাবুয়ে ব্যাটারদের ওপর ঝড় তোলেন তাসকিন আহমেদ। এরপর ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নেন নাহিদ। একে একে তুলে নেন সর্বোচ্চ ২৬ রান করা ইনোসেন্ট কাইয়া, সিকান্দার রাজা (১), ওয়েসলি মাধভিরে (০), ক্লাইভ মাদান্দে (২), ব্র্যাড ইভান্সের (৩) উইকেট।

৭০ রানের মাথায় ৮ উইকেট পড়ার পর ৯ম উইকেটে জিম্বাবুয়ে ইনিংসের হাল ধরেন নিউম্যান নিয়ামহুরি ও রিচার্ড এনগারাভা। এ দু’জন মিলে ৬৩ রানের জুটি গড়ে তোলেন। সেটিও ভেঙে দেন নাহিদ রানা। ১৩৩ রানের মাথায় রিচার্ড এনগারাভাকে বোল্ড করেন তিনি। ৪১ বলে ২৭ রান করেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow