‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ

একটি সমন্বিত ডিজিটাল রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং ডিজিটাল অর্থনীতি বিনির্মাণে সরকার ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ ধারণা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনের সময় এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রায় তিনি আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দেন। বাজেট উপস্থাপনায় বলা হয়, বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের (বিসিজি) তথ্য অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের নবম বৃহত্তম কনজ্যুমার অর্থনীতি। একটি সমন্বিত ডিজিটাল রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং ডিজিটাল অর্থনীতি বিনির্মাণে সরকার ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ ধারণা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিক একটি একক ডিজিটাল পরিচয়ের আওতায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা নিতে পারবে। অর্থমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপদ ও সহজে আর্থিক লেনদেন, ভাতা, ফি ও অন্যান্য পেমেন্ট সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে একাধিক আইডির কারণে তথ্য

‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ

একটি সমন্বিত ডিজিটাল রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং ডিজিটাল অর্থনীতি বিনির্মাণে সরকার ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ ধারণা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনের সময় এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রায় তিনি আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দেন।

বাজেট উপস্থাপনায় বলা হয়, বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের (বিসিজি) তথ্য অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের নবম বৃহত্তম কনজ্যুমার অর্থনীতি। একটি সমন্বিত ডিজিটাল রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং ডিজিটাল অর্থনীতি বিনির্মাণে সরকার ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ ধারণা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিক একটি একক ডিজিটাল পরিচয়ের আওতায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা নিতে পারবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপদ ও সহজে আর্থিক লেনদেন, ভাতা, ফি ও অন্যান্য পেমেন্ট সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে একাধিক আইডির কারণে তথ্য যাচাই ও আন্তঃসংযোগের বিদ্যমান জটিলতা নিরসন সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এই ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) তথ্য আদান-প্রদান ও আন্তঃসংযোগকে আরও শক্তিশালী করবে। ফলশ্রুতিতে সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। নাগরিকদের সেবাপ্রাপ্তি হবে আরও সহজ ও দ্রুততর।

কেআর/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow