কক্সবাজারে পাহারাদারকে কুপিয়ে হত্যা

কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোবিনুল হক (৩৮) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তিনি সদর উপজেলার মাইজপাড়া এলাকার মৃত নবী উল্লাহর ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন। সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পিএমখালী ইউনিয়নের উত্তর পরানিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোবিনুল হকের সঙ্গে প্রতিবেশী আবু সৈয়দের ছেলে মো. আলমগীর (২৮)-এর দীর্ঘদিন ধরে জমি ও সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক বসে। তবে রাত হয়ে যাওয়ায় বৈঠক অসমাপ্ত রেখে পরদিন পুনরায় বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, বৈঠক শেষ হওয়ার পর থেকেই আলমগীর এলাকায় হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোবিনুল হক বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। পথে বাংলাবাজার-খুরুশকুল সড়কের ফরিদের দোকানের উত্তর পাশে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আলমগীর ও তার সহযোগীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত আ

কক্সবাজারে পাহারাদারকে কুপিয়ে হত্যা

কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোবিনুল হক (৩৮) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তিনি সদর উপজেলার মাইজপাড়া এলাকার মৃত নবী উল্লাহর ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পিএমখালী ইউনিয়নের উত্তর পরানিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোবিনুল হকের সঙ্গে প্রতিবেশী আবু সৈয়দের ছেলে মো. আলমগীর (২৮)-এর দীর্ঘদিন ধরে জমি ও সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক বসে। তবে রাত হয়ে যাওয়ায় বৈঠক অসমাপ্ত রেখে পরদিন পুনরায় বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, বৈঠক শেষ হওয়ার পর থেকেই আলমগীর এলাকায় হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোবিনুল হক বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। পথে বাংলাবাজার-খুরুশকুল সড়কের ফরিদের দোকানের উত্তর পাশে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আলমগীর ও তার সহযোগীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত আলমগীরসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন।

তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরতে সম্ভাব্য সব স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow