কঠিন বাস্তবতায় রোজা শুরু করেছে ফিলিস্তিনিরা

নাজুক যুদ্ধবিরতির মধ্যে পবিত্র রমজান মাস শুরু করেছে গাজার ফিলিস্তিনিরা। তবে দীর্ঘ যুদ্ধ, ধ্বংস ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেকের কাছেই রমজানের স্বাভাবিক আনন্দ হারিয়ে গেছে। রমজান মুসলিমদের জন্য ইবাদত, আত্মসমালোচনা ও দানের মাস। সাধারণ সময়ে পরিবার ও বন্ধুরা একসঙ্গে ইফতার করেন। কিন্তু এবার গাজায় পরিস্থিতি ভিন্ন। বহু মানুষ প্রিয়জন হারিয়েছেন এবং প্রতিদিনের জীবনযাপনই হয়ে উঠেছে কঠিন। ২০২৩ সালের অক্টোবরের হামলার পর হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধ গাজায় ব্যাপক ধ্বংস ডেকে আনে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে, এ যুদ্ধে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং অধিকাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বাজারে গিয়ে অনেকেই বলছেন, মানুষের হাতে টাকা নেই এবং কাজও নেই। ফলে রমজানের প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে রমজানে রাস্তা আলোকসজ্জায় সাজানো থাকত, শিশুদের মুখে থাকত আনন্দ, এবার সেই পরিবেশ নেই বললেই চলে। গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা চালু হলেও গাজায় এখনো প্রায় প্রতিদিনই গোলাগুলি ও হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে নতুন করে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে। তবু কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও কিছু মানু

কঠিন বাস্তবতায় রোজা শুরু করেছে ফিলিস্তিনিরা
নাজুক যুদ্ধবিরতির মধ্যে পবিত্র রমজান মাস শুরু করেছে গাজার ফিলিস্তিনিরা। তবে দীর্ঘ যুদ্ধ, ধ্বংস ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেকের কাছেই রমজানের স্বাভাবিক আনন্দ হারিয়ে গেছে। রমজান মুসলিমদের জন্য ইবাদত, আত্মসমালোচনা ও দানের মাস। সাধারণ সময়ে পরিবার ও বন্ধুরা একসঙ্গে ইফতার করেন। কিন্তু এবার গাজায় পরিস্থিতি ভিন্ন। বহু মানুষ প্রিয়জন হারিয়েছেন এবং প্রতিদিনের জীবনযাপনই হয়ে উঠেছে কঠিন। ২০২৩ সালের অক্টোবরের হামলার পর হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধ গাজায় ব্যাপক ধ্বংস ডেকে আনে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে, এ যুদ্ধে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং অধিকাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বাজারে গিয়ে অনেকেই বলছেন, মানুষের হাতে টাকা নেই এবং কাজও নেই। ফলে রমজানের প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে রমজানে রাস্তা আলোকসজ্জায় সাজানো থাকত, শিশুদের মুখে থাকত আনন্দ, এবার সেই পরিবেশ নেই বললেই চলে। গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা চালু হলেও গাজায় এখনো প্রায় প্রতিদিনই গোলাগুলি ও হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে নতুন করে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে। তবু কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও কিছু মানুষ রমজানের আনন্দ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। খান ইউনিসে ধ্বংসস্তূপের মাঝে শিল্পী হানি দাহমান দেয়ালে আরবিতে লিখেছেন ‘রমজান মোবারক’। শিশুদের জন্য ছোট ছোট আলোকসজ্জাও ঝুলানো হয়েছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow