করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে করলা চুরির অভিযোগে এক নারীকে গাছে বেঁধে লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বংশিপাড়া এলাকার কৃষক ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা তোলার সময় ছালেহা বেগম (৪০) নামে এক নারীকে হাতেনাতে আটক করেন জমির মালিক। অভিযোগ রয়েছে, তার কাছে একটি বস্তাভর্তি করলা পাওয়া যায়। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে সকাল প্রায় ৯টার দিকে তার স্বামী বদিয়া মিয়া ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন। এরপর সবার সামনেই স্ত্রীকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান তিনি। এসময় উপস্থিত কেউ তাকে বাধা দেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। বরং ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ ঘটনাটিকে চুরির শাস্তি হিসেবে দেখলেও অধিকাংশই এটিকে অমানবিক ও আইনবহির্ভূত নির্যাতন হিসেবে আখ্যা

করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে করলা চুরির অভিযোগে এক নারীকে গাছে বেঁধে লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বংশিপাড়া এলাকার কৃষক ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা তোলার সময় ছালেহা বেগম (৪০) নামে এক নারীকে হাতেনাতে আটক করেন জমির মালিক।

অভিযোগ রয়েছে, তার কাছে একটি বস্তাভর্তি করলা পাওয়া যায়। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে সকাল প্রায় ৯টার দিকে তার স্বামী বদিয়া মিয়া ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন।

এরপর সবার সামনেই স্ত্রীকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান তিনি। এসময় উপস্থিত কেউ তাকে বাধা দেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। বরং ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ ঘটনাটিকে চুরির শাস্তি হিসেবে দেখলেও অধিকাংশই এটিকে অমানবিক ও আইনবহির্ভূত নির্যাতন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

জমির মালিক ফরহাদ হোসেন বলেন, আমার জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হচ্ছিলো। তাই আগে থেকেই নজর রাখছিলাম। সকালে তাকে এক বস্তা করলাসহ ধরে ফেলি। পরে তার স্বামীকে খবর দিলে তিনি এসে এভাবে মারধর করেন।

দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল হোসেন জানান, এক নারীকে করলাসহ আটক করা হয়েছিল। পরে তার স্বামী এসে শাসন করে বাড়িতে নিয়ে যান। তবে মারধরের বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত।

রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী বলেন, ঘটনার ভিডিও দেখেছি। এভাবে কাউকে গাছে বেঁধে মারধর করা ঠিক হয়নি। কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোকনুজ্জামান মানু/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow