কর্ণফুলী নদী ও মহেশ খাল পরিদর্শন করলেন ৩ প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন ও খাল পুনঃখনন করার লক্ষ্য কর্ণফুলী নদী ও এর সংযুক্ত মহেশ খালসহ কয়েকটি খাল একসঙ্গে পরিদর্শন করেছেন তিন প্রতিমন্ত্রী। তারা হলেন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।  শনিবার (১৬ মে) তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।  পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ।  এসময় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রতিমন্ত্রীদের কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা রক্ষা এবং খালগুলোর মুখে ড্রেজিং কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং প্রদান করেন। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, কর্ণফুলী নদীর যথাযথ নাব্যতা বজায় রাখা এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলোর মুখে নিরবচ্ছিন্ন পানির প্রবাহ নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব অর্থায়নে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফলে চট্টগ্রাম নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সহজ হয়েছে, যা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কর্

কর্ণফুলী নদী ও মহেশ খাল পরিদর্শন করলেন ৩ প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন ও খাল পুনঃখনন করার লক্ষ্য কর্ণফুলী নদী ও এর সংযুক্ত মহেশ খালসহ কয়েকটি খাল একসঙ্গে পরিদর্শন করেছেন তিন প্রতিমন্ত্রী। তারা হলেন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। 

শনিবার (১৬ মে) তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। 

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ। 

এসময় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রতিমন্ত্রীদের কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা রক্ষা এবং খালগুলোর মুখে ড্রেজিং কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং প্রদান করেন।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, কর্ণফুলী নদীর যথাযথ নাব্যতা বজায় রাখা এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলোর মুখে নিরবচ্ছিন্ন পানির প্রবাহ নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব অর্থায়নে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফলে চট্টগ্রাম নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সহজ হয়েছে, যা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে সংযুক্ত এসব খালের মুখ ড্রেজিংয়ের করতে হলে বিপুল অর্থ ব্যয় হতো চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে। 

বন্দর কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, কর্ণফুলী নদীর সদরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতুর উজান পর্যন্ত প্রায় ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার নেভিগেশনাল চ্যানেল এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ৮টি গুরুত্বপূর্ণ খালসহ কর্ণফুলীর বিভিন্ন স্থানে বছরে প্রায় ১৫ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক গতি প্রবাহ বজায় থাকছে এবং পলি জমার হার অনেকাংশে কমে আসছে। শুধু ড্রেজিং বাবদ চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে প্রতিমন্ত্রীদের জানানো হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এ উদ্যোগের সুফল চট্টগ্রামবাসী ইতোমধ্যে পাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও পাবে।

পরিদর্শন শেষে নদী ও খাল মুখের বিদ্যমান ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রীরা। একই সঙ্গে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীমুখ ভরাটের কারণে যেন নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক, চিফ হাইড্রোগ্রাফর কমান্ডার ওবায়েদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মোহাম্মদ সারোয়ারুল ইসলাম, পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কমান্ডার সৈয়দ সাজ্জাদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow