কলকাতায় আনোয়ারুল আজীম খুন: জামিন পেলেন ‘চরমপন্থি নেতা’ শিমুল ভুঁইয়া
কলকাতায় সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম খুনের ঘটনায় খুলনা অঞ্চলের একসময়কার চরমপন্থি নেতা শিমুল ভূঁইয়াকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে সোমবার (৮ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথীকা হোসেন এ আদেশ দেন। আনোয়ারুল আজীম খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন শিমুল ভূঁইয়া। এ ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিলেন তিনি। আরও পড়ুন এমপি আজীম হত্যার বিচার কোন দেশে? ২০২৪ সালের ১২ মে চিকিৎসার কথা বলে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান সাবেক এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গের বরাহনগর থানাধীন মণ্ডলপাড়া লেনের গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর ফেরেননি আজীম। তখন পুলিশ জানায়, ১৩ মে কলকাতার নিউটাউন এলাকার সঞ্জীবা গার্ডেনসের একটি ফ্ল্যাটে আজীমকে হত্যা করা হয়। এরপর হাড় ও মাংস টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হয়। ওই ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও অন্য তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের পুলিশকে এ তথ্য জানায় কলকাতার পুলিশ। আরও পড়ুন এমপি আনোয়ারুল খুনে
কলকাতায় সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম খুনের ঘটনায় খুলনা অঞ্চলের একসময়কার চরমপন্থি নেতা শিমুল ভূঁইয়াকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে সোমবার (৮ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথীকা হোসেন এ আদেশ দেন।
আনোয়ারুল আজীম খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন শিমুল ভূঁইয়া। এ ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিলেন তিনি।

এমপি আজীম হত্যার বিচার কোন দেশে?
২০২৪ সালের ১২ মে চিকিৎসার কথা বলে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান সাবেক এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গের বরাহনগর থানাধীন মণ্ডলপাড়া লেনের গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর ফেরেননি আজীম।
তখন পুলিশ জানায়, ১৩ মে কলকাতার নিউটাউন এলাকার সঞ্জীবা গার্ডেনসের একটি ফ্ল্যাটে আজীমকে হত্যা করা হয়। এরপর হাড় ও মাংস টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হয়। ওই ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও অন্য তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের পুলিশকে এ তথ্য জানায় কলকাতার পুলিশ।
এ ঘটনায় ঢাকার আগারগাঁও থানায় হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ মামলা করেন আনোয়ারুল আজীমের মেয়ে। এছাড়া কলকাতার নিউটাউন থানায় হত্যা মামলা করা হয়। দুই মামলায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুই দেশের পুলিশ। ওই বছরের ২৮ মে সঞ্জীবা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করে কলকাতার সিআইডি।
এফএইচ/বিএ
What's Your Reaction?
